উড়োজাহাজে অব্যবহৃত ১০টি টায়ার চুরি করে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানকে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় জিডি করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ।
বিমানের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ বি এম রওশন কবীর জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। আর, এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদ বলছেন, চুরির ঘটনায় বেবিচকেরও দায় আছে।
সম্প্রতি একাধিক উড়োজাহাজে ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর প্রশ্ন উঠে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে। এরইমধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে বিমানের দশটি টায়ার চুরির অভিযোগ।
অকশন শেডে রাখা বিমানের অব্যবহৃত দশটি টায়ার খুঁজে না পাওয়ায়, সোমবার থানায় জিডি করে বিমানের এক সহকারী ব্যবস্থাপক। আর জনসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়াই এগুলো বেসরকারি একটি এয়ারলাইনসের কাছে বিক্রি করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদ বলেছেন, টায়ার চুরির ঘটনায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বা বেবিচক দায় এড়াতে পারে না। তিনি জানান, ধারাবাহিক বিভিন্ন নেতিবাচক ঘটনায় বিমানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
ঢাকা ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, কয়েক জন আহত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২৬ মামলার চার্জশিট দাখিল