ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় চাকরি প্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো কর্মসূচি চলছে। বিশেষ নিয়োগ ও সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা পর্যন্ত পদযাত্রা করতে চেয়েছিলেন তারা। তবে শাহবাগ মোড়ের আগেই ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন। ঢাবির রাজু ভাস্কর্য থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে শাহবাগে এলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে কর্মসূচি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
এসময় অনেককে ব্যারিকেড সরাতে টানাটানি এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে দেখা গেছে। একইসঙ্গে তারা পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে প্রতিবন্ধীরা প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে তাদের "সুবর্ণ নাগরিক" আইডি কার্ড দেখান।
সংগঠনের আহ্বায়ক মো. আলী হোসেন বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে যমুনার দিকে যাচ্ছিলাম কিন্তু পুলিশ আমাদের পথ আটকে দিয়েছে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
১. প্রধান উপদেষ্টার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী বেকারদের জন্য বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
২. প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে ৫ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রতিবন্ধী কোটা সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. জাতীয় শ্রুতিলেখক নীতিমালা সংশোধন করে শ্রুতিলেখক মনোনয়নে স্বাধীনতা দিতে হবে।
৪. সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ব্রেইলভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম ও পিএইচটি সেন্টারের শূন্য পদে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করতে হবে (সাধারণ প্রার্থীদের জন্য ৩৫ হলে তাদের জন্য ৩৭ বছর নির্ধারণ করতে হবে)।
উপদেষ্টারা প্রার্থী হতে পারবেনা, দাবি নাগরিক জোটের
ফিরলেন ৩০৯ জন, লিবিয়ায় মাফিয়া চক্রে বাংলাদেশি