সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আরও দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। এর ফলে তার মুক্তিতে আপাতত আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি ও দুর্নীতিসহ আরও পাঁচটি মামলায় জামিন পেয়েছিলেন খায়রুল হক। সব মিলিয়ে তাঁ বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোতে জামিন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই মামলা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছিলো।
মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে—তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে গত ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীনের করা মামলা। একই অভিযোগে ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও বন্দর থানায় আরও দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া চার আগস্ট প্লট জালিয়াতিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিলো।
নিম্ন আদালতে এসব মামলায় জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছিলেন।
২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। অবসরের পর তিনি তিন মেয়াদে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
