সারাদেশে যখন করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে ঠিক সেই সময়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে এক আওয়ামী লীগ নেতা আয়োজন করেছে মহিষের লড়াই।
রোববার (২৩ জানুয়ারি) ধানখালী নোমরহাট বাজারের পশ্চিম পাশের খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এ মহিষের লড়াই। ধানখালী ও চম্পাপুর ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শ্ববর্তী আমতলী উপজেলা থেকে কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করে এ লড়াই দেখতে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন করোনা সচেতনতায় দিনরাত মাইকিং করলেও কোন ধরনের স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এ মহিষের লড়াই আয়োজন করায় মানুষের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে নানা ধরনের মন্তব্য।
আরও পড়ুন: মোংলায় হরিণের চামড়াসহ পাচারকারী আটক
বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ২০১৪ সালে মোরগ, ছাগল ও ষাঁড়ের নিষ্ঠুর লড়াই বন্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে আদালত এ লড়াই বন্ধে রুল জারি করে। কিন্তু আদালতের নির্দেশ অমান্য ও করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা না মেনে নিজ মহিষ দিয়ে এ লড়াই আয়োজন করা হয়।
ঘণ্টাব্যাপী চলা এ বিপজ্জনক লড়াইয়ে উপস্থিত কারো মুখে ছিল না মাস্ক।
তবে মহিষের লড়াই আয়োজনকারী ধানখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা টিনু মৃধা বলেন, তিনি এ লড়াই আয়োজন করেননি। তার এলাকার লোকজন তার মহিষ দিয়ে এ লড়াই আয়োজন করেন। তিনি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মহিষের লড়াই বন্ধ করে দিয়েছেন।
একাত্তর/এসজে
