মানিকগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানীর গরুর হাট। এবার জেলার সাত উপজেলায় ছোট-বড় মিলে প্রায় ১০০টি গরুর হাট বসেছে। সবচেয়ে বড় হাট বসেছে জেলার শিবালয়ের আরিচা, সাটুরিয়ার হরগজ, ঘিওর ও ঝিটকা এলাকায়।
ইতোমধ্যে হাটগুলোতে ছোট, মাঝারি ও বড় গরু উঠেছে হাটে। এছাড়াও, নিয়মিত এসব হাটের পাশাপাশি অস্থায়ীভাবেও হাট বসেছে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে।
তবে, হাটগুলোতে প্রচুর পরিমাণে গরু উঠলেও তুলনামূলকভাবে ক্রেতার সংখ্যা কম। গরু বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতারা গরু দেখছেন কিন্তু কিনছেন না। এবার খড়, ভুসিসহ গোখাদ্যের দাম বেশী হওয়ার কারণে গরু পালনে বেশ খরচ বেড়েছে। তাই গরুর দামও বেড়েছে কিন্তু সেই অনুযায়ী ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না তারা।
আর ক্রেতারা বলছেন, আকার ভেদে গরুর দাম বেশী হওয়ায় কিনতে হচ্ছে হিসেব করে। এছাড়া আগামী আরও দুইদিন বাকী আছে কোরবানির। শেষের দিকে দাম কিছুটা কমতে পারে। তাই এখন কিনছেন না। মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশী হওয়ায় দামও বেশী চাচ্ছেন বিক্রেতারা- এমন কথা বলছেন অনেক ক্রেতাই।
এদিকে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বেপারীরা এসেছেন গরু কিনতে। চাহিদা সম্পন্ন গরু কিনে পিকআপ ভ্যান ও বড় ট্রাকে করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছেন তারা।
জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুল ইসলাম বলছেন, কোরবানিকে সামনে রেখে জেলায় ১১ হাজার ১৫৫ টি খামারে ২৯ হাজার ৭১৭ টি ষাড়, ১ হাজার ৩৫০টি বলদ, ১৮হাজার ৪টি ছাগলসহ মোট ৫৬ হাজার ৮৫০টির মতো গবাদি পশু মোটাতাজা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাভ বেশী হওয়ায় বেশ কিছু খামারে বড় আকৃতির গরু পালন করা হয়েছে। এবার জেলায় কোরবানির চাহিদা মিটিয়ে অন্য অঞ্চলেও গরু কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।
