পটুয়াখালীর দশমিনায় ঝড়ের কবলে বিয়েবাড়ির ট্রলার ডুবে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় বরসহ নিখোঁজ রয়েছেন আরও চারজন।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর লঞ্চঘাট সংলগ্ন বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।
জানা গেছে, নিহত লিপি আক্তার (৩২) বরের ফুপু। নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন বর রাব্বি হাওলাদার (২০), তার মা সেলিনা (৩৫), মারিয়া (১২) খাদিজা (৪)।
মঞ্জুর এলাহী নামে বরের এক স্বজন জানান, ১৫ দিন আগে দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের গুলি আউলিয়ার গ্রামের মনির হাওলাদারের ছেলে রাব্বি হাওলাদারের সাথে কই উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের হুমায়ুন মুন্সির মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে হয়।
মঙ্গলবার বর রাব্বি হাওলাদার তার স্বজনদের নিয়ে নববধূকে আনতে যান। শুক্রবার নববধূসহ ১৪-১৫ জন আত্মীয়-স্বজনকে নিয়ে চরবোরহান থেকে ট্রলারযোগে বাড়ির দিকে রওয়ানা হন তারা।
বিকেল আনুমানিক পাঁচটার দিকে তাদের ট্রলার চর শাহজালাল অতিক্রম করে আউলিয়াপুর লঞ্চঘাটের কাছাকাছি গিয়ে ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে তলিয়ে যায়। এতে বর রাব্বি হাওলাদারের ফুপু লিপি আক্তার পানিতে ডুবে মারা যান।
আরও পড়ুন: দেশে ফিরলেন ভারতে আটকা পড়া ৯ নাবিক
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাফিসা নাজ নীরা জানান, তিনি ঘটনাস্থল ও ভুক্তভোগীদের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন। পটুয়াখালী থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসেছে। ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। আকারে ছোট হওয়ায় ট্রলারটি ডুবে যায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফিরোজ আহমেদ জানান, দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে পটুয়াখালী থেকে তিনজন ডুবরিসহ পাঁচজন পৌঁছেছেন। তাদের সাথে কাজ করছেন স্থানীয় দশমিনা স্টেশনের চারজন সদস্য।
একাত্তর/এসজে
