ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যৌতুক না দেয়ায় এক গৃহবধূকে গলাটিপে ও কীটনাশক খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
শনিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন নিহতের স্বামী ও পরিবারের লোকজন।
জানা গেছে, নিহত সোনিয়া আক্তার (২৪) কান্দিপাড়া এলাকার ধন মিয়ার মেয়ে। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন।
নিহতের পরিবার জানায়, সাত বছর আগে কান্দিপাড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়ার সাথে একই এলাকার সোনিয়ার বিয়ে হয়। কয়েকবছর তাদের দাম্পত্য জীবন ভালভাবেই কাটছিল।
তবে সোনিয়ার দুটি কন্যাসন্তান হবার কয়েকবছর পর থেকে রাসেল ও তার মা-বোনসহ পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য তাকে প্রায়ই নির্যাতন করত বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।
বিভিন্ন সময় তাদের যৌতুকের চাহিদা মেটানোও হয়েছে জানিয়ে তারা বলেন, সম্প্রতি রাসেল ফার্নিচারের ব্যবসা করার জন্য আরও দুই লাখ টাকা দাবি করেন।
তাদের অভিযোগ, সোনিয়া সে যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় রাসেল, তার মা রেহেনা বেগম, বোন সুমাইয়া ও ফারজানাসহ পরিবারের লোকজন তাকে শনিবার বিকেলে গলাটিপে ও কেড়ির বড়ি খাইয়ে সদর হাসপাতালে ফেলে রেখে চলে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: ছয় ভাইকে পিকআপ ভ্যান চাপায় হত্যা, চালকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
একাত্তর/এসজে
