কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর পানি কমে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে আড়াই শতাধিক পরিবার ভাঙনের কবলে পড়ে ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।
তাদের দাবি, নদীতে বিলিন হয়েছে প্রায় ২৫০ বিঘা কৃষি জমি। অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনসহ সংসদ সদস্যর কাছে গিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।
উপজেলার নওডাঙ্গা ইউনিয়নের চর গোরকণ্ডল এলকার কৃষক বদিউজ্জামান বলেন, তিন বছরে সাড়ে তিন বিঘা আবাদি জমি ধরলার পেটে চলে গেছে। এখন শেষ সম্বল বাড়ির ভিটার ২০ শতক জায়গাও ভাঙনের মুখে।
নুরনবী বলেন, নদী ভাঙনের আশঙ্কায় পরিবার নিয়ে পৈতৃক ভিটে মাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হচ্ছে।
নাওডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান চর গোরমণ্ডল এলাকায় তীব্র নদী ভাঙন স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। দ্রুত এই এলাকার ভাঙন রোধে কার্যকরি ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, পাঁচ শতাধিক পরিবারসহ কৃষি জমি এবং প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীণ মুজিব কেল্লাটি বিলিনের মুখে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
তিনি জানান, ভাঙন রোধে বহুবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাদের কাছে গেলেও কোনো লাভ হয়নি।
আরও পড়ুন: তিস্তায় নৌকা ডুবে নিখোঁজ দুই, একজনের মরদেহ উদ্ধার
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল্লা আল মামুন জানান, জেলায় ১৬টি নদ-নদীর ২৬টি পয়েন্টে প্রায় ২৫ কিলোমিটার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে চার কিলোমিটার ভাঙন কবলিত এলাকায় কাজ চলছে। ভাঙন মোকাবেলায় পর্যাপ্ত মালামাল রয়েছে।
একাত্তর/এসি
