কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের রানীর বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- স্বামী জনি বিশ্বাস (৩২), তার স্ত্রী নিপা রাণী বিশ্বাস (২৬), ছেলে ধ্রুব বিশ্বাস (৭) ও মেয়ে কথা বিশ্বাস (৫)।
তাদের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরায়। জনি বিশ্বাস ভৈরবে ওয়ার্কশপ মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন। ভৈরব পৌর শহরের রানীর বাজারের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন তারা।
নিহত জনি বিশ্বাসের ভাই সমীর বিশ্বাস জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার পিরিজকান্দি ইউনিয়নের আনারাবাদ গ্রামে। তার ভাই জনি বিশ্বাস ১০ বছর ধরে ভৈরবে বসবাস করে আসছেন। গত সোমবার জনি বিশ্বাস তাদের গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানদেরকে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সন্ধ্যার দিকে ফিরে আসেন। এরপর ভাইয়ের সাথে তাদের আর কোনো কথা হয়নি। আজ বিকেলে ফ্লাটের এক বাসিন্দা ফোনে জানান, সকাল থেকেই জনি বিশ্বাসের বাসার দরজা বন্ধ। এ খবরে তিনি সেখানে এসে ঘটনা জানতে পারেন।
ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। একটি রুমেই জনি বিশ্বাসের মরদেহ আড়ায় ঝুলানো ছিলো। বিছানায় পরেছিলো তার স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানের মরদেহ।
তদন্ত শেষে জানা যাবে এ ঘটনাটি কীভাবে ঘটলো। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ত্রীকে ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যা করে হয়েছে। পরে দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর স্বামী জনি বিশ্বাস সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
নাটোরে গাড়ি চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত