কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অবরুদ্ধ করা হয়েছে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক, কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থীসহ কলেজ স্টাফদের।
শুক্রবার বেলা বারোটার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
হামলার ঘটনা আহত হয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাসার ভূঁঞাসহ একাধিক শিক্ষক।
শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানান, ১৩ জানুয়ারি কলেজের ডিগ্রি শাখার মসজিদে তাবলিগের বিবদমান দুই পক্ষ মাওলানা সাদ ও জুবায়েরের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে গত ২০ জানুয়ারি তাবলিগ জামাতের সাপ্তাহিক তালিম সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাসার ভূঁঞা। এর জেরে ২১ জানুয়ারি অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করেন কলেজের নজরুল হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ধর্মপুরের স্থানীয় বাসিন্দারা।
এরপর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইমাম মো. মারুফ বিল্লাহকে নানান অভিযোগ তুলে অব্যাহতি দেয় কলেজ প্রশাসন। ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ইমামকে চাকরিচ্যুত করার পর থেকেই কলেজ মসজিদে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। প্রতি শুক্রবার নামাজের সময় পূর্বের ইমামকে বহালের দাবি করে আসছে স্থানীয় একটি পক্ষ।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ জুমার নামাজ শুরুর আগেই স্থানীয় কিশোর ও যুবকরা কলেজের অধ্যক্ষের ওপর হামলা করে। এসময় পার্শ্ববর্তী নজরুল হলের শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের পাশে দাঁড়াতে আসলে তাদের ওপরও হামলা চালায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলেও স্থানীয়দের হামলায় প্রথমে পিছু হটে পরে আবার কলেজে প্রবেশ করে।
কলেজ শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক গাজী মুহাম্মদ গোলাম সোহরাব হাসান বলেন, হামলায় অধ্যক্ষসহ শিক্ষকরা আহত হয়েছেন। আমাদের এখন অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। মূলত ইমামকে অব্যাহতি দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, সেখানে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। আমিও যাচ্ছি।
পটুয়াখালীতে চার লাখ ইয়াবাসহ ১৬ কারবারি গ্রেপ্তার