ভারতে বসবাসকারী মেয়েকে মায়ের মরদেহ দেখার সুযোগ করে দিলো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শূন্যরেখায় এসে শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখলেন মেয়ে।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার সীমান্তে কিরণগঞ্জ বিওপি এলাকায় সীমান্ত পিলার ১৭৯/৩-এস-এর কাছে শূন্য লাইনে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে মরদেহ ভারতীয় স্বজনদের দেখানোর সুযোগ দেয়া হয়।
এর আগে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা তারা বানু (৭৫)।

৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক গোলাম কিবরিয়া ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মায়ের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ভারতের মালদা জেলার কালিয়া থানার দুশতদিঘী এলাকার বাসিন্দা মৃতের মেয়ে মোছা. মালেকা বেগমসহ অন্যান্য আত্মীয় স্বজনরা লাশ দেখার জন্য বিএসএফের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানান। মানবিক বিবেচনায় ভারতীয় স্বজনদের লাশ দেখার জন্য মঙ্গলবার সকালে ১৫ মিনিটের জন্য কিরণগঞ্জ বিওপি–এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৭৯/৩–এস এর নিকট শূন্যরেখায় বিজিবি–বিএসএফ–এর উপস্থিতিতে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।
মোছা. মালেকা বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, আলাদা দেশের কারনে এবং আইনগত জটিলতার কারণে মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুব কষ্টে ছিলেন। শেষবার মাকে একবার এক নজর দেখার জন্য আকুতি ছিলো। পরে বিএসএফের কাছে আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং বিজিবি সাড়া দেয়ায় তিনি তার মায়ের শেষ মুখটা দেখতে পেলেন। শেষবারের মতো মরদেহ দেখে তিনি এ উদ্যোগের জন্য বিজিবি এবং বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে ৫৯ বিজিবি মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, বিজিবি যে কোনো মানবিক কাজে সর্বদা সহানুভূতিশীল।
তিনি আরও জানান, এর আগে দুই দফা বাংলাদেশি মারা যাবার ঘটনায় বাংলাদেশি স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিএসএফ সাড়া দেয়ায় সীমান্তে দুই দেশের স্বজনরা শেষবার মরদেহ দেখতে সমর্থ হন।
‘শান্তিচুক্তি’ ভঙ্গ করে ফের সংঘর্ষে জড়ালো ঢাকা ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা
হারামাইন শরিফে ছবি ও ভিডিও ধারণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা