সারাদেশে টানা চারদিন কুয়াশার দাপট চলার পর বুধবার পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। কুয়াশা কিছুটা কমলেও বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সকালে গোপালগঞ্জে দেশের ও চলতি বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের দুই বিভাগসহ মোট ২১টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ১৬টি জেলা এবং মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জসহ মোট ২১টি জেলায় বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহ চলছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গোপালগঞ্জে বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। রাজশাহীতে এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে ঢাকার তাপমাত্রা মঙ্গলবারের তুলনায় আজ সামান্য বেড়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানিয়েছেন, এই তাপমাত্রা কমে যাওয়ার প্রবণতা আরও দু-একদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ইতিবাচক দিক হলো, কুয়াশার দাপট কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
যখন কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলে গণ্য হয়। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
টানা কুয়াশা ও হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় উত্তরবঙ্গসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ ও শ্রমজীবীরা তীব্র ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছেন। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী কয়েকদিন এই শীতের প্রকোপ বজায় থাকতে পারে।
যে কারণে উত্তরের জনপদে হাড় কাঁপানো শীত
আগামী পাঁচ দিনে ঘন কুয়াশার সঙ্গে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা