মন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছি। ‘জুলাই সনদ’ পাঠ করে শপথ নেওয়ার কোনো আলোচনা কখনো ছিল না, এখনও নেই। এ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা আসলে বড় কোনো বিষয় নয়।
সংসদের প্রথম দিন বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে এবং পরের দিন তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে হীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আলোচনার মধ্য দিয়েই বিষয়টি অনেকটাই শেষ হয়েছে। সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি কার্যকর হবে এবং সংবিধানের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, বর্তমানে ১৮০ দিনের খাল খনন কর্মসূচি চলমান রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
তিনি বলেন, সরকারি দল যেমন ধৈর্য ধরে কাজ করছে, তেমনি বিরোধী দলকেও ধৈর্য ধরতে হবে। আমরা মাত্র এক মাস পার করেছি সবাইকে সময় দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির মাষ্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ।
মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে আইএমওর বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশ
ঈদযাত্রা ঘিরে ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে অভিযান, বিভিন্ন স্থানে জরিমানা