বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, শেখ সাহেবকে হত্যার সঙ্গে বিএনপি বা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে জড়ানো ইতিহাস বিকৃতি ছাড়া কিছু নয়। ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিলো। সে সময় মোস্তাক আহমেদ নতুন কেবিনেটে বেশিরভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রীরা। তখনও বিএনপির জন্মই হয়নি। কাজেই সেই হত্যায় বিএনপি বা জিয়াউর রহমানকে জড়ানো ইতিহাস বিকৃত করার শামিল।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে ঐতিহাসিক সাত নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) টিএসসি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, খালেদ মোশাররফের সামরিক অভ্যুত্থানের পর জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করা হয়েছিল। তবে মাত্র চার দিন পর সাত নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবে জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে শুরু করেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান তখন কোনো রাজনীতিক ছিলেন না। সেই সময় দেশে শাসন করতো আওয়ামী লীগ, আর তাদের পৃষ্ঠপোষক ছিলো ভারত। আওয়ামী লীগের অনেক নেতা তখন গোপনে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। জিয়া ভালোভাবেই জানতেন, আওয়ামী লীগ কখনও সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করে না। শেখ মুজিব ভারতের পরামর্শেই রক্ষী বাহিনী গঠন করেছিলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপ উপাচার্য ও ইউট্যাব পবিপ্রবির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান এবং জিয়া পরিষদ পবিপ্রবির সভাপতি আবুবকর সিদ্দিক।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউট্যাব পবিপ্রবির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মামুন অর রশিদ এবং সঞ্চালনা করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পবিপ্রবির সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনি।
