কুমিল্লা নগরীতে একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নগরীর টমছমব্রিজ, গোয়ালপট্টি, ফৌজদারি মোড়ে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
একই সময়ে কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্সের সামনে, ফৌজদারি মোড়, সালাউদ্দিন মোড়, টাওয়ার হাসপাতালের সামনে ও রামঘাটলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নগরজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
রাণীর বাজার-বিসিক রোডে ককটেল বিস্ফোরণের সময় জনতা ধাওয়া করলে মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যান এক যুবক। পরে ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেলটি জব্দ ও তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
খবর পেয়ে বিজিবি ও পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তারা ঘটনাস্থলের আশপাশের ফুটেজ সংগ্রহ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত পৌনে ৯টার দিকে নগরীর টমছমব্রিজ এলাকার একটি ক্লিনিকের সামনে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। একই সময়ে গোয়ালপট্টি, ফৌজদারি মোড়েও একাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হয়। রাণীর বাজার-বিসিক রোডে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর চেষ্টার সময় জনতা ধাওয়া করলে মোটরসাইকেল ও ককটেল ফেলে পালিয়ে যান এক যুবক।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা। পরে তারা আশপাশের সিসিটিভ ফুটেজ সংগ্রহ করেন এবং ফেলে যাওয়া মোটরসাইকেলটি জব্দ করেন।
কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন জানান, পুলিশ তিনটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য যারা নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়, তারা এমন ঘটনা ঘটাতে পারে।
তিনি জানান, মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে পুলিশ। দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম নগরে টহল দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
চাঁদপুরে বাসে আগুন, ড্রাইভার-হেলপার আহত