কুমিল্লার মুরাদনগরের পাচকিত্তা গ্রামে ঘরের দরজা ভেঙে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় আরও একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে মারধরের সময় ওই নারীকে এক ব্যক্তি বি...ব...স্ত্র করছেন, এমন চিত্র দেখা গেছে।
সোমবার (৩০ জুন) সকালে ‘তোর বাপেরা আইছে’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে তিন মিনিট ৪২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিওতে ফজর আলীকে নির্যাতন করতে দেখা গেছে। সেই সঙ্গে ওই সময় ভিকটিমকে আরেক ব্যক্তি বি....ব...স্ত্র ও মারধর করতে দেখা গেছে।
এদিকে একই দিন দুপুরে গ্রেপ্তার চার যুবককে কুমিল্লা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (১১নং মুরাদনগর) আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা মুরাদনগর থানার উপ পরিদর্শক রুহুল আমিন।
তিনি জানান, রোববার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার সুমন, রমজান আলী, আরিফ ও অনিকসহ চার জনকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মুমিনুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িয়ে আছে কিনা, সেই সঙ্গে ঘটনার পেছনের তথ্য উপাত্ত তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনও আদালত থেকে কোনো আদেশে পাইনি।
তিনও জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ফজর আলী পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসার্ধীন। তার শারিরিক অবস্থার উন্নতি হলেই আদালতে উপস্থাপন করা হবে। রুহুল আমিন মুরাদনগরের ধর্ষণের ঘটনায় দুটি মামলারই তদন্ত কর্মকর্তা।
গত শনিবার (২৮ জুন) ফেসবুকে ওই নারীকে নিপীড়নের প্রথম ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার ফজর আলী নামে এক ব্যক্তিকে আসামি করে ধর্ষণের মামলা করেন ওই নারী। পুলিশ ফজর আলীসহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ফজর ছাড়া অন্য চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ– তারা ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়েছেন। এ অভিযোগে রোববার কুমিল্লার মুরাদনগর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে আরেকটি মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। ওই মামলায় চার জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ডেঙ্গুর রুদ্রমূর্তি, একদিনে হাসপাতালে রোগী ভর্তির রেকর্ড