দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এবার ২০২৪ সালের স্কুল ভর্তি কার্যক্রম ও বার্ষিক পরীক্ষা এগিয়ে আনছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২৪ অক্টোবর থেকে ভর্তির আবেদন শুরু হবে, শেষ করতে হবে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে। আর নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা।
গেলো তিনবছরের ধারাবাহিকতায় আসছে বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল ভর্তি প্রক্রিয়া হবে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতিতে। তবে সামনে জাতীয় নির্বাচন তাই আগে ভাগেই ভর্তি শেষ করতে চায় মন্ত্রণালয়। সেই ধারাবাহিকতায় ২৪ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা অধিদপ্তরের। যা চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত। ভর্তির লটারির সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা হয়েছে ২২ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। ভর্তি শেষ করার পরিকল্পনা ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে।
মাউশি পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক বেলাল হোসেন বলেন, আমরা আটটি বিভাগীয় শহরেই যথাসময়ে এই কার্যক্রম শেষ করবো।

ভর্তির খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে এবার ৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী এক শ্রেণিতে ভর্তি করা যাবে না। নিয়ম না মানলে নেওয়া হবে ব্যবস্থা। ক্লাচমেন্টের (সংশ্লিষ্ট থানা বা একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়) জন্য ৪০ শতাংশ আর অন্যান্য ক্ষেত্রে ১৪ শতাংশ কোটা থাকছে।
এবার বার্ষিক পরীক্ষা নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের। স্কুল ভর্তি আর পরীক্ষা দুই মিলিয়ে চাপ থাকলেও সামলে নেবেন বলছেন শিক্ষকরা।
শহীদ মনু মিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, এই বছর বার্ষিক পরীক্ষা আমরা কিছুটা এগিয়ে এনেছি। আমাদের ভর্তির লটারি কার্যক্রমও এগিয়ে এসেছে।

এছাড়া নবম শ্রেণিতে সব শিক্ষার্থীদের একটি শাখায় ভর্তি করা হবে। আর্টস, কমার্স বা সায়েন্স থাকবে না। সারাদেশের ৮ বিভাগ ও জেলা সদরে এই প্রক্রিয়াতে স্কুল ভর্তি সম্পন্ন হবে।
ঢাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামাল