মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ভারতে নিজেদের গুলিতেই বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সাত সদস্য নিহত হয়েছেন। এমন মর্মান্তিক ঘটনার কারণ খুঁজতে এরইমধ্যে তদন্তে নেমেছে বাহিনীটি।
ভারতের মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির কাকমারি বিএসএফ ক্যাম্পে সোমবার (৭ মার্চ) দুই বিএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়। সহকর্মীরা বলছেন, নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন ওই দুই জওয়ান, তারপর তারা একে অন্যকে গুলি করে।
বিএসএফ'এর বরাতে দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, কোনো এক কারণে ওই দুই জওয়ান নিজেদের মধ্যে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তারা একে অন্যকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুইজনের।
এ ঘটনার পর কাকমারি বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ওই দুই বিএসএফ জওয়ানের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
কর্তৃপক্ষ বলছে, ঠিক কি কারণে ওই বিএসএফ জওয়ানরা নিজেদের মধ্যে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্তও শুরু হয়েছে, দ্রুত এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যবে।
অন্যদিকে রোববার (৬ মার্চ) সকালে ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য পাঞ্জাবের অমৃতসরে ভারতে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পাঁচ জওয়ান নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অভিযুক্ত হামলাকারী জওয়ানও রয়েছেন। তবে হামলাকারী জওয়ান কি আত্মহত্যা করেছেন নাকি অন্যদের গুলিতে নিহত হয়েছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন: প্রায় পাঁচ লাখে বিক্রি হলো বঙ্গোপসাগরের ভোল মাছ
এনডিটিভি বলছে, অভিযুক্ত কনস্টেবল সাত্তেপ্পার সাথে মেসেরই কয়েকজন বিএসএফ জওয়ানের কথা কাটাকাটি হয়। সেই সময়ই হঠাৎ করেই অভিযুক্ত সাত্তেপ্পা নিজের একে-৪৭ রাইফেল দিয়ে সহকর্মীদের উদ্দেশে গুলি চালাতে শুরু করেন।
এসব ঘটনার তদন্তে বিএসএফের পক্ষ থেকে কোর্ট অব এনকোয়ারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।
একাত্তর/আরবিএস
