ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে বেছে বেছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। এতে দেশটির দেড় হাজারের বেশি শহর ও গ্রামে বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজেই জানিয়েছেন, এসব রুশ হামলায় দেশটির ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
পশ্চিমা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের তৈরি কামাকাজি ড্রোন দিয়ে আরও ব্যাপক হামলার অংশ হিসেবেই বিদ্যুত কেন্দ্র ধ্বংস করা হচ্ছে। আবার কৌশলগত পারমাণু হামলার ছকও হতে পারে।
রাশিয়ার হামলায় বিপর্যস্ত ইউক্রেন। গেল এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সামরিক বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে রুশ বাহিনী।
মঙ্গলবারও রাশিয়া ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে হামলা চালায়। এতে কমপক্ষে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া হামলায় জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবার মুখপাত্র জানান, ৭ অক্টোবর থেকে রকেট ও ড্রোন হামলায় ৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
গত ১০ দিনের রুশ হামলায় ইউক্রেনের খারকিভ, জাপোরিঝঝিয়া, দোনেৎস্ক, লুহানস্কসহ ১ হাজার ১৬২টি শহর ও গ্রাম বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে এখন অন্ধকারে।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, ৩০ শতাংশ পাওয়ার স্টেশন ধ্বংস হয়ে গেছে। হামলায় ইরানের ড্রোন ব্যবহার করায় মস্কোর সমালোচনা করেছেন জেলেনস্কি।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়াকে ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ আরও ড্রোন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইরান।
এদিকে মস্কোর কাছে হারানো গুরুত্বপূর্ণ খেরসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া লড়াই চালাচ্ছে ইউক্রেনের সেনারা। রুশ বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল সের্গেই সরুভিকিন জানিয়েছেন, খেরসনের পরিস্থিতি গুরুতর এবং সেখানকার বাসিন্দাদের দ্রুত সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
একাত্তর/এআর
