হাইতিতে সশস্ত্র গ্যাংয়ের হাতে পুলিশ কর্মকর্তাদের মৃত্যুর প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হামলা চালিয়েছে দেশটির পুলিশ সদস্যরা। এরপর তারা রাজধানীর বিমানবন্দর সাময়িকভাবে দখল করে ফেলে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) পুলিশ পরিচয় দেয়া বেসামরিক পোশাকে বিক্ষোভকারীরা প্রথমে প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল হেনরির সরকারি বাসভবনে হামলা চালায়। পরে হেনরি আর্জেন্টিনা সফর থেকে ফেরার সময় বিমানবন্দরে ঢুকে পড়ে তারা।
হেনরি সাময়িকভাবে বিমানবন্দরে আটকা পড়লেও পরে পোর্ট-অ-প্রিন্সে তার বাসভবনে ফিরে আসেন। এসময় তার পিছু নেয় বিক্ষোভকারীরা। তার বাড়ির বাইরে ভারী গুলিবর্ষণের শব্দ শোনা গেছে বলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক মন্তব্যের জন্য হাইতির জাতীয় পুলিশ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অনুরোধ করা হলেও তারা তাতে সাড়া দেয়নি।
রয়টার্স আরও জানিয়েছে, পোর্ট-অ-প্রিন্সের চারপাশের রাস্তা এবং উত্তরের বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীরা অবরুদ্ধ করে রেখেছিল।
আরও পড়ুন: করাচিতে কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ১৮ জনের মৃত্যুর অভিযোগ
মার্কিন সরকারের একদল কর্মকর্তা ওই সময়ে হাইতি সফর করছিলেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সমস্ত কর্মীর হিসাব রয়েছে এবং তারা সতর্কতা হিসেবে কিছু মিটিং সরিয়ে নিয়েছে।
হাইতিয়ান মানবাধিকার গোষ্ঠী আরএনডিডিএইচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হেনরি ২০২১ সালের জুলাই মাসে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ৭৮ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয় পুলিশের প্রধান ফ্রান্টজ এলবেকে দায়ী করা হয়েছে।
একাত্তর/এসজে
