কর্ণাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য বিজেপিবিরোধী সব রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কংগ্রেস।
শনিবার কর্ণাটকে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার, উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের মতো শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা জানানো হলেও, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যেতে পারছেন না। তার বদলে কর্ণাটক যাবেন লোকসভার এমপি কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
গত ১৩ মে কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন বিজেপি নেতা বাসবরাজ বোম্মাই। কিন্তু তার ইস্তফার পর পাঁচদিন কেটে গেলেও নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেননি।
মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কে বসবেন এই নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে পিছিয়ে দিতে হয় শপথ গ্রহণের নির্ধারিত দিন। অবশেষে বৃহস্পতিবার জট কাটে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, কর্ণাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সিদ্দারামাইয়া।
আরও পড়ুন: হঠাৎ সৌদি আরবে উপস্থিত জেলেনস্কি
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অনুষ্ঠানে বিজেপিবিরোধী জোটের নেতাদের ডাক পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ মমতা এবং অখিলেশ দুজনই বিজেপিবিরোধী জোট গঠনের পক্ষপাতী।
তাদের দুজনেরই দাবি, যে দল যেখানে শক্তিশালী, সেই দল সেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়বে।
ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে কংগ্রেস বুঝিয়ে দিতে চাইছে ভারতে কংগ্রেসের শক্তি এখনও একমাত্র বৃহৎ বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি। আঞ্চলিক দলগুলোর জোট কংগ্রেসকে ছাড়া কখনও সফল হবে না।
একাত্তর/এসজে
