ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আগে শহরে ব্যাপক আকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শহরটিতে এটি সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রোববার কিয়েভের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কমপক্ষে কিয়েভের দিকে অগ্রসর হওয়া ৪০টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এক হাজার ৫৪১ বছর আগে ২৮ মে কিয়েভ শহরের গোড়াপত্তন হয়। শহরবাসী সাধারণত মেলা, লাইভ কনসার্ট এবং বিশেষ জাদুঘর প্রদর্শনীর মাধ্যমে দিনটিকে উদযাপন করে।
এই বছরও এ ধরণের আনুষ্ঠানিকতার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে ছোট পরিসরে।
ভোরের দিকে উত্তর-পশ্চিমের ভলিন থেকে দক্ষিণ-পূর্বে ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক পর্যন্ত ইউক্রেনের ১২টি অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কতা সক্রিয় করা হয়।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কার্যালয়ের প্রধান আন্দ্রি ইয়ারমাক তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে বলেন, ইউক্রেনের ইতিহাস রাশিয়ানদের জন্য দীর্ঘসময় ধরে বিরক্তির কারণ।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান সের্হি পপকো বলেছেন, প্রাথমিক তথ্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে রাশিয়ার আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে কিয়েভে রোববারের বিমান হামলাটি ছিল সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা।
তিনি আরো বলেন, রাশিয়া হামলায় ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করেছে।
পপকো টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে বলেছেন, ‘আজ, শত্রুরা তাদের মারাত্মক ইউএভি (মানুষবিহীন আকাশযান) এর সাহায্যে কিয়েভ দিবসে কিয়েভের জনগণকে ‘অভিনন্দন’ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে’।
আরও পড়ুন: ইরান-আফগান সীমান্তে গোলাগুলিতে তিনজন নিহত
কর্মকর্তারা বলেছেন, ঐতিহাসিক পেচেরস্কি এলাকাসহ কিয়েভের বেশ কয়েকটি জেলা রাতভর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রায় দুই মাস হামলা বন্ধ থাকার পর মস্কো ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা এবং সরবরাহকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করেছে। এখন সপ্তাহে কয়েকবার করে আক্রমণ চালানো হয়।
একাত্তর/এসজে
