ভারতের উত্তরাখণ্ডে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারকাজ চলমান রয়েছে। সোমবার একটি ছয় ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পাইপ আটক শ্রমিকদের সামনে পর্যন্ত ঢোকানো গেছে। ওই পাইপের ভিতর দিয়েই পাঠানো হয় একটি ক্যামেরা, তাতে ধরা পড়েছে ৪১ জন শ্রমিকের চেহারা। দ্য গার্ডিয়ানের খবর।
ক্যামেরায় দেখা যায় শ্রমিকদের আতঙ্কিত মুখ। আশার কথা, ৪১ শ্রমিকে সবাই জীবিত আছেন।
এতোদিন এই শ্রমিকদের শুকনো খাবার পাঠানো হচ্ছিলো। সোমবার প্রথম বোতলে করে গরম খিচুরি পাঠানো হয় তাদের কাছে। শুধু তা-ই নয়, আটক শ্রমিকদের কাছে ওয়াকি-টকিও পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে আটক শ্রমিকদের সাথে কথা বলেছেন উদ্ধারকারীরা।
উদ্ধারকাজের চার্জে থাকা কর্নেল দীপক পাটিল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘রোববার রাতের অগ্রগতিতে আমরা খুশি। আমরা শ্রমিকদের কাছে মোবাইল ফোন এবং চার্জারও পাঠাবো। আশা করা যায়, এরপর উদ্ধারকাজ আরো দ্রুত করা সম্ভব হবে।’
সোমবার প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল, পাঁচটি সংস্থা যৌথভাবে এই অপারেশনে যোগ দিয়েছে। আনা হয়েছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। এইসব যন্ত্রের সাহায্যেই নতুন করে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।
এর আগে, ড্রিল করে সুড়ঙ্গের খুব কাছ পর্যন্ত পৌঁছানোর পর বিরাট ধসে উদ্ধারকাজ পণ্ড হয়ে যায়। এবার বিভিন্ন দিক থেকে ড্রিল করে বড় বড় পাইপ ঢুকিয়ে সুড়ঙ্গের ভিতর পর্যন্ত পৌঁছানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর কাছে পাহাড় কেটে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ চলছিল। চারধাম যাত্রার রাস্তা চওড়া করার জন্যই তৈরি হচ্ছিল ওই সুড়ঙ্গ। চারধাম অর্থাৎ, কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম প্রকল্প এই রাস্তা।
