পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর ২০২৩

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৪, ১০:৫০ পিএম

বিজ্ঞানীরা বেশ আগেই আভাস দিয়েছিলেন। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর হতে পারে ২০২৩, এনিয়ে চলছিলো আলোচনা । অবশেষে বিষয়টি নিশ্চিত করলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু পরিষেবা সংস্থা।

তারা জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক কারণে হওয়া এল নিনোর প্রভাব। আর এখনই ব্যবস্থা না নিলে পৃথিবী আরও উষ্ণ হয়ে পড়বে।

গত বছর পুরো বিশ্বকেই চরম আবহাওয়া মোকাবেলা করতে হয়েছে। প্রায় সব দেশেই তাপদাহ দেখা গেছে। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ইতিহাসের ভয়াবহতম দাবানল দেখেছে। খরাও দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।

২০২৩ সালে জুলাই মাস থেকে প্রায় প্রতিদিনই বৈশ্বিক বাতাসের তাপমাত্রা অন্যান্য বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি দেখা গেছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রাও আগের রেকর্ডগুলো ভেঙে দিয়েছে।

ইইউ’র জলবায়ু পরিষেবা জানিয়েছে, মানুষ প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো শুরুর আগে দীর্ঘমেয়াদি গড়ের তুলনায় গত বছরের তাপমাত্রা অন্তত ১ দশমিক ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

যুক্তরাজ্য বলেছে, দেশটির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উষ্ণ বছর গেছে ২০২৩। টেক্সাস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যান্ড্রু ডেসলার বলেন, ২০২৩ রেকর্ডভাঙা বছর ছিল, কিন্তু যেভাবে রেকর্ড ভেঙেছে তাতেই উদ্বেগ বেশি।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র ২০২৩ সালের রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রাই নয়। বরং আগের রেকর্ডের তুলনায় এবারের রেকর্ডের মধ্যে পার্থক্য অনেক বেশি। এই রেকর্ডগুলির মধ্যে কয়েকটির মার্জিন সত্যিই আশ্চর্যজনক।

বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছেন, বর্তমান পৃথিবী ১০০ বছর আগের তুলনায় অনেক উষ্ণ। কিন্তু ১২ মাস আগেও বিশ্বের বড় কোনো বিজ্ঞান সংস্থা অনুমান করতে পারেনি, ২০২৩ সাল হবে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ বছর।

বছরটির প্রথম ক’মাসে অল্প কিছু দিনই বাতাসের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছিল। কিন্তু বছরের দ্বিতীয় ভাগে শুরু হয় রেকর্ড ভাঙার ঝড়। প্রায় প্রতিদিনই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড ছিলো স্বাভাবিক ঘটনা।

ইইউ’র কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য বলছে, গত বছর ২০০রও বেশি দিন দৈনিক বৈশ্বিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে।

এই সাম্প্রতিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির পেছনে এল নিনো পরিস্থিতির ভূমিকাকে দায়ী করেছেন বিজ্ঞানীরা। সাধারত চার থেকে ১০ বছর পরপর এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এটি সৃষ্টি হলে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং কোনো কোনো এলাকায় খরাও দেখা দিতে পারে। সবশেষ ২০১৮-১৯ সালে দেখা দিয়েছিল এই পরিস্থিতি। ২০২৪ সালেও গত বছরের মতই উষ্ণ হবে।

 

এআরএস
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে সামনের দিনগুলোতে তাপপ্রবাহ, খরা ও দাবানলের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
আজ বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পরিবেশ সুরক্ষা ও সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে দিনটি পালন করা হয়।
অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দাবানল, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিপর্যয়ের সরাসরি ঝুঁকিতে রয়েছে বিশ্বের প্রায় ৯০ কোটি দরিদ্র মানুষ। যা বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রায় ৮০ শতাংশ।
রাজধানীর ভাটারা এলাকার নতুন বাজারে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের শিশুসহ অন্তত তিনজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় জাতীয়...
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিজে থাকা লোহার মইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার বারঘোরিয়া ইউনিয়নের বাদুরতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় আসামি করার প্রক্রিয়া শুরু...
২০২৭ সালের জন্য নতুন তিনটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি সাধারণ হজ প্যাকেজ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে হজের চূড়ান্ত...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর