আজ বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পরিবেশ সুরক্ষা ও সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে দিনটি পালন করা হয়।
জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ আর নির্বিচার বন উজাড়ের কারণে ক্রমেই হুমকির মুখে পড়ছে এই পৃথিবী। একমাত্র বাসযোগ্য এই গ্রহকে রক্ষা করতে এখন প্রয়োজন বৈশ্বিক সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং কার্যকর উদ্যোগ।
মানুষের অসচেতনতা, অতিভোগবাদী জীবনযাপন ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের চাপে প্রতিনিয়ত ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে ধরিত্রী। বায়ুদূষণ, নদী দূষণ, প্লাস্টিক বর্জ্য, বন ধ্বংস—সব মিলিয়ে পৃথিবী হারাচ্ছে তার প্রাকৃতিক ভারসাম্য। এর ফলেই বাড়ছে গড় তাপমাত্রা, দ্রুত গলছে হিমবাহ, বাড়ছে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা ও তাপপ্রবাহের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি।
১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালনের সূচনা হয়। মার্কিন সিনেটর গেইলর্ড নেলসন-এর উদ্যোগে পরিবেশ সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে শুরু হওয়া এই দিনটি এখন বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে পালিত হয় পরিবেশ রক্ষার আহ্বান নিয়ে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, অতিরিক্ত তাপপ্রবাহ—সবই আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড ও উদাসীনতার ফলেই এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
গাছ লাগানো, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, পানি ও বিদ্যুতের অপচয় রোধ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার—এমন ছোট ছোট উদ্যোগই বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। ব্যক্তিগত সচেতনতা থেকে সামাজিক উদ্যোগ—সব মিলেই রক্ষা পেতে পারে পৃথিবী।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবী আমাদের একমাত্র আশ্রয়। এই গ্রহ যদি ধ্বংসের পথে এগোয়, তবে মানবজাতির টিকে থাকাও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তাই ধরিত্রী রক্ষা এখন কেবল সচেতনতার আহ্বান নয়, এটি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম।
চার বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস, হতে পারে শিলাবৃষ্টিও
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো জাতিসংঘ