সেকশন

শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
 

বিধ্বস্ত বাড়ি আর স্কুল কেঁদে ফেলছেন ফিলিস্তিনিরা

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৩ পিএম

প্রায় সাত মাস ধরে ইসরাইলি হায়েনাদের হামলায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া গাজার মানুষজন রয়েছেন চরম মানবেতর অবস্থায়। বাস্তুচ্যুত মানুষজন নিজ এলাকায় ফিরে গিয়ে দেখছেন বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষ। স্কুল ভবনগুলোও গুড়িয়ে দেয়ায় কষ্ট আর অনিশ্চয়তা ভর করেছে শিশুদের মনেও। 

ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গাজা উপত্যকার বেশিরভাগ এলাকারই এখন ভগ্নদশা। পুরোপুরি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে বেশিরভাগ এলাকা। মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা ফিরে এসে দেখেন তাদের চিরচেনা জায়গার কোন অস্তিত্বই নেই।

তাদের ভাষায়, আমার একটা বাড়ি ছিলো। আমার স্বপ্ন! টুকরো টুকরো পাথর হয়ে গেছে পুরোটা। আমি শুধু একবার আমার পুরোনো ঘরটায় ফিরতে চাই। এক মুহূর্তেই আমাদের সব পরিকল্পনা, আনন্দ, বেঁচে থাকা, সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। এতো পরিশ্রমে তিলে তিলে গড়ে তোলা সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। 

একই দৃশ্য দেখা যায় রাফাহ শহরেও। সবাইকে হারিয়ে অসহায়ত্বের চূড়ান্ত সীমায় দাঁড়িয়ে বহু নারীর একজন উম বাসিল আল ফারানি। তিনি বলেন, সাতটা মাস চলে গেলো।

প্রতিনিয়ত মানুষ মরছে। আমার পরিবারের কেউ বেঁচে নেই। আমাদের সবাই কাউকে না কাউকে হারিয়েছে। তারপরও ওদের দয়া হয় না। এরা এতো নির্মমভাবে শিশুশূণ্য করছে গাজা। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মই মেরে শেষ করে দিয়েছে।

এদিকে, হামলা শুরুর পর থেকে গাজা উপত্যকার শিশুদের মানসিক অবস্থাও শোচনীয়। নেই স্কুল, কোন কাজ, নেই বাড়িঘর, বা পরিবার। যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি শিশুর মৃত্যুতে অনেক শিশুই হারিয়েছে প্রাণের বন্ধু। তারা বলছে, স্কুলে আমি সব সময় প্রথম হতাম। ৯৮ বা ৯৯ শতাংশ মার্কস আসতো। আমাদের স্কুলের কতো স্মৃতি। যুদ্ধ শেষ হলে আমরা পড়বো কোথায়? আমাদের কি আর পড়ালেখা হবে না?

এমন অনেক প্রশ্ন গাজার বেশিরভাগ শিশুর মনে। বলছেন, আমার অনেক বন্ধু শহীদ হয়েছে। আমরা একসাথে স্কুলে যেতাম, বাড়ি ফিরতাম, টিফিন খেতাম। ওরা কি অপরাধ করেছে? কেন ওদের মরতে হলো? এখন তো আর স্কুলেও যাওয়া হবে বলে মনে হচ্ছে না, নতুন বন্ধুও পাওয়া যাবে না। 

বাস্তুচ্যুত গাজাবাসীর সবাই ছুটে ছুটে, কেঁদে কেঁদে ক্লান্ত। এখন প্রার্থনা একটু মুক্তির। বেঁচে থাকার আকুল আকুতিতে ইসরাইল সরকারকে হামলা থামানোর অনুরোধ জানাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। কিন্তু তাদের কথা কী আদৌ পৌঁছাবে তেল আবিবের কর্তাদের কাছে, এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারো। 

একাত্তর/এসি
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির জানাজার নামাজ হয়ে গেছে। চলছে দাফনের প্রক্রিয়া। রাইসির আকস্মিক মৃত্যুর পর সব আনুষ্ঠানিকতাই চলছে ঘড়ি মেনে। চলছে মাতম। তবে থেমে নেই রাইসির...
আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেনের স্বীকৃতির ঘোষণার পর দেশগুলো থেকে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতদের অবিলম্বে ইসরাইলে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরাইলের...
আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন। বুধবার ডাবলিনে এক বক্তৃতায় আইরিশ প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির এ ঘোষণা দেন।
হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও তার সফরসঙ্গীদের স্মরণে সোমবার এক মিনিট নীরবতা পালন করেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন...
রহস্যজনক ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার তিনবারের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের পুরো মরদেহ পাওয়ার আশা নেই। তবে, দেহাবশেষ উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে সিআইডির টিম উদ্ধার ও স্থানীয় থানা পুলিশ।
হার দিয়ে শুরু হওয়ায় শঙ্কা ছিলো সিরিজ খোয়ানোর। সিরিজে টিকে থাকতে এই ম্যাচের জয়ের বিকল্প ছিলো না। তবে শঙ্কাই সত্যি হলো। সিরিজ হারলো বাংলাদেশ।
নব্বইয়ের দশকের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আলোচিত জুটি সঞ্জয় দত্ত ও মাধুরী দীক্ষিত। তাদের প্রেম পর্দা থেকে গড়িয়েছিল বাস্তব জীবনে। এর পর বিচ্ছেদ, বিতর্ক আর অভিযোগের পাহাড়ে যেন তারা চাপা পড়ে যান। বিচ্ছেদের পর...
জন্মস্থান মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। কয়েকদিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই শহরে ইমাম আলী আল-রেজার...
লোডিং...
Nagad Ads
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর


© ২০২৪ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত