সিএএ আইনে ৩০০ জনকে নাগরিকত্ব দিলো ভারত

আপডেট : ১৬ মে ২০২৪, ০৭:৪৭ পিএম

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে (সিএএ) প্রথম দফায় তিন শতাধিক বিদেশিকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। বিতর্কিত এই আইনের অধীনে প্রথমবারের মতো বিদেশিদের নাগরিকত্ব দিলো দেশটি।

ভারতে চলমান লোকসভা নির্বাচনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা বুধবার রাজধানী দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে ১৪ জনের হাতে নাগরিকত্বের সনদ তুলে দেন। বাকিদের কাছে সেই সনদ ই–মেইল মারফত পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে। খবর হিন্দুস্থান টাইমসের। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয় দ্বারা গঠিত কমিটি নাগরিকত্বের আবেদনগুলো খতিয়ে দেখছে। যাচাইকরণ এবং নাগরিকত্ব দেখার প্রক্রিয়াটি আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে থাকবে।

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তু সীতাল দাস বর্তমানে বসবাস করছেন উত্তর দিল্লির মঞ্জুকা টিল্লাতে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে নাগরিকত্ব পাওয়া প্রথম ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৮ বছর বয়সী এ নারী একজন।

সীতাল বলেন, যদিও আমি এখানে (ভারতে) ২০১৩ সাল থেকে বসবাস করছিলাম, তবে আজ আমি মনে করি আমি এই দেশেরই। আমি এখন নির্দ্বিধায় ভারতকে আমার নিজের দেশ বলতে পারি এবং কোনো ভয় ছাড়াই যে কোনো জায়গায় ঘোরাফেরা করতে পারি। 

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) স্লোগান 'মোদি কি গ্যারান্টি'র কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। কারণ, যারা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানে কয়েক দশক ধরে ধর্মীয় নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছিল তাদের অপেক্ষা এখন শেষ হয়েছে। 

শাহ এক্সে হিন্দিতে লেখেন, আমি মোদির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এই মানুষদের অধিকার দেয়ার জন্য যারা কয়েক দশক ধরে ভুগছেন। আমি আমার সমস্ত উদ্বাস্তু ভাই ও বোনদেরও আশ্বাস দিচ্ছি যে, মোদি সরকার তাদের সকলকে সিএএ-এর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেবে।  

তিনি আরও বলেন, তিন দেশে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে শুরু করেছে এবং মোদি তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন।

শুরু থেকেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের নানা সমালোচনা করে আসলেও এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি বিরোধী শিবিরের নেতারা। 

২০১৯ সালে পাস হওয়া এই আইনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা (হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সি) ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে তা দেবে ভারত।

ভারতের সংসদের দু’কক্ষে পাশ হওয়ার পরে দেশটির তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ অনুমোদন দিয়েছিলেন সিএএ বিলে। 

এই আইনের আওতায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যেসব হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সিধর্মীয় সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়িক নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে ভারতে চলে এসেছেন, তারাই এই আইনের অধীনে নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারেন।

২০১৯-এ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) পাসের পর থেকেই ভারতজুড়ে শুরু হয়েছিল বিক্ষোভ। এমনকি দাঙ্গাও বাঁধে দিল্লিতে। 

আরবিএস
বিয়ের সানাই বাজছিল ঠিকঠাক, কাজিও কবুল পড়িয়ে দিয়েছিলেন অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। কিন্তু আসল টুইস্টটা জমা ছিল দুপুরের খাবারের টেবিলের জন্য! পাতে খাসির মাংসের বদলে কেন মুরগির মাংস পরিবেশন করা...
ভারতের ছাত্র-যুবদের কর্মসংস্থান এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি এবার এক অদ্ভুত ও নজিরবিহীন রূপ নিল দিল্লির বুকে। সপ্তাহজুড়ে খবরের শিরোনামে থাকার পর, আজ শনিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাজপথে...
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখলেও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আসল নজর এখন তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ সদস্যের বিধায়ক দলের অন্দরে তৈরি হওয়া তীব্র ফাটলের...
‘সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত! চারদিকে শুধু ঘুষ আর অনিয়ম, আর সেই কারণেই আমি আজ আমার পরিবারের প্রায় সবাইকে হারালাম’; কান্না চেপে, তীব্র ক্ষোভে কাঁপতে কাঁপতে কথাগুলো বলছিলেন বিষ্ণু কান্ত গর্গ। গত বুধবার...
২০২৭ সালের জন্য নতুন তিনটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি সাধারণ হজ প্যাকেজ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে হজের চূড়ান্ত...
ভারতের জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদ অভিমুখে অগ্রসর হওয়া তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভকারীদের ওপর দিনভর ব্যাপক...
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন হত্যাসহ হয়রানিমূলক মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদীয়...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর