ভারতের আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় ব্ল্যাক্স বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ব্ল্যাক বক্স থেকে সফলভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এখন চলছে বিশ্লেষণ।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেলে কেন্দ্রীয় সরকারের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, ব্ল্যাক বক্স থেকে উদ্ধার হওয়া একটি ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (এফডিআর), একটি ককপিট ভয়ে রেকর্ডার (সিভিআর) ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর ব্যবহারযোগ্য ডেটা উদ্ধার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গত সপ্তাহে সরকারের একটি সূত্র জানায়, এগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হতে পারে।
তবে দিন কয়েক আগেই দেশটির কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এয়ার ইন্ডিয়া বিমানের ব্ল্যাক বক্স বিদেশে পাঠানো হয়নি। দেশেই পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে।
এর মধ্যেই বড় সাফল্যের খবরটি এলো। বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো ক্র্যাশ প্রোটেকশন মডিউল এবং মেমরি মডিউল নিরাপদে বের করতে সফল হয়েছে এবং সমস্ত ডেটা ডাউনলোড করা হয়েছে জানানো হয়েছে।
সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দুটি বাক্স একটি হোস্টেলের ছাদে পাওয়া গেছে, যেখানে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল। অন্যটি মঙ্গলবার দিল্লির এএআইবি ল্যাব ধ্বংসাবশেষ থেকে নিরাপদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
ওই দিন প্রথম ব্ল্যাক বক্সটি দুপুর দুইটায় এএআইবি ল্যাবে পৌঁছায়। দ্বিতীয়টি পৌঁছে বিকেল সোয়া পাঁচটায়। একই দিনে ডেটা উদ্ধার শুরু হয় এবং তা শেষ হয় বুধবারের মধ্যে।
সিভিআরের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা যাবে, উড়ানের সময় ককপিটে পাইলটদের মধ্যে কী কথোপকথন চলেছিল, এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-র সঙ্গে কী কথা হয়েছিল, কর্মীরা বা যাত্রীরা কী কথা বলেছিলেন।
আর এফডিআরে উচ্চতা, আকাশের গতি, ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণ ইনপুট এবং ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতার মতো তথ্য আছে।
উড়ার ৩৬ সেকেন্ডের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়ে ওই ফ্লাইটের ২৪১ জন এবং উড়োজাহাজটি যেখানে আছড়ে পড়ে সেখানে ৩৪ জন নিহত হন।
