যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থী, শরণার্থী এবং অন্যান্য অভিবাসীদের জন্য কাজের অনুমতির মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে ১৮ মাস করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পদক্ষেপ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের কঠোরতম অবস্থানের একটি অংশ। এমন এক সময় ট্রাম্প প্রশাসন এই নীতি গ্রহণ করলো, যখন এর মাত্র দুই দিন আগে ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন আবেদন স্থগিত করেছে দেশটি।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ কমানোর এ ঘোষণা দেয় ট্রাম্প সরকার। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এর আগে, গেলো সপ্তাহে পুনর্বাসন কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী এক আফগান ব্যক্তি দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা (ইউএসসিআইএস)-এর পরিচালক জোসেফ এডলো জানান, গুলি চালানোর ওই ঘটনার জেরেই এই পদক্ষেপ।
এডলো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘কর্মসংস্থান বিষয়ে অনুমতির সর্বোচ্চ বৈধতার সময়কাল কমানো নিশ্চিত করবে যে যুক্তরাষ্ট্রে কাজের জন্য আসা ব্যক্তিরা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে না বা ক্ষতিকর আমেরিকান-বিদ্বেষী মতাদর্শ প্রচার করবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর ওই হামলার পর, আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে যে ইউএসসিআইএস-কে বিদেশিদের নিয়মিত যাচাই প্রক্রিয়া চালাতে হবে। ওই ঘটনায়, হামলাকারী একজন বিদেশি এবং তিনি পূর্ববর্তী প্রশাসনের সমলে এই দেশে প্রবেশ করেন।’
ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, ওয়ার্ক পারমিট পদক্ষেপটি শরণার্থী হিসেবে প্রবেশ করা অভিবাসী, আশ্রয়প্রাপ্ত অভিবাসী ও যাদের বহিষ্কার স্থগিত করা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
সবশেষ গত মঙ্গলবার, ট্রাম্প প্রশাসন ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন আবেদন স্থগিত করেছে। এই সব দেশের নাগরিক ইতোমধ্যেই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। পাশাপাশি তাদের জন্য গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব প্রক্রিয়াকরণও স্থগিত করা হয়েছে।
যে সব দেশের নাগরিকদের জন্য গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে, সেই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে— আফগানিস্তান, সোমালিয়া, মিয়ানমার, চাড, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, এরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সুদান, ইয়েমেন এবং বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ করলো যুক্তরাজ্যের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়
লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ৩১০ বাংলাদেশি