বুরকিনা ফাসোতে তিনটি গ্রামে হামলায় নিহত ১৭০

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৪, ১০:২৯ এএম

সহিংসতায় বিধ্বস্ত পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে হামলায় প্রায় ১৭০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বহুসংখ্যক নারী ও শিশুও রয়েছে। আফ্রিকার এই দেশটির তিনটি গ্রামে চালানো হামলায় প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।

হামলার পেছনে কোন গোষ্ঠী জড়িত তা জানা যায়নি। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুরকিনা ফাসোর তিনটি গ্রামে হামলা চালিয়ে নারী ও শিশুসহ প্রায় ১৭০ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে দেশটির একজন পাবলিক প্রসিকিউটর জানিয়েছেন। কমসিলগা, নর্ডিন এবং সোরো নামে তিনটি গ্রামে হামলা চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।

এই ঘটনায় আক্রমণকারীদের খুঁজে বের করতে সাহায্য করার জন্য সাক্ষীদের এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন প্রসিকিউটর অ্যালি বেঞ্জামিন কুলিবালি।

আলাদাভাবে বুরকিনা ফাসোর সেনাবাহিনী শহরের প্রাণকেন্দ্রে আক্রমণসহ ইসলামপন্থীদের আক্রমণের বাড়তি ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছে। দেশটির সেনাবাহিনী ২০২২ সালে ক্ষমতা দখল করে। তবে বুরকিনা ফাসোর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এলাকা বিদ্রোহীরা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

কুলিবালি বলেছেন, তিনি গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ইয়াতেঙ্গা প্রদেশে গ্রামে হামলার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছেন। বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে কয়েক ডজন নারী ও শিশু রয়েছে। তবে হামলার পেছনে কোন গোষ্ঠী জড়িত তা জানা যায়নি।

অবশ্য এই হামলা দেশটিতে সাম্প্রতিক সহিংসতার সাথে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে না। সম্প্রতি দেশটির একটি গির্জার পাশাপাশি একটি মসজিদ এবং সেনাঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে, শুক্রবার দেশটির সেনাপ্রধান জঙ্গিদের আত্মঘাতী হামলার ঝুঁকি বাড়ার কারণে সৈন্যদের সতর্ক থাকার জন্য বলেছিলেন।

সেই সময় তিনি বলেন, শহরগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘বড় আকারের সিরিজের আক্রমণের শঙ্কা’ রয়েছে।

মানবিক কর্মীরা বলছেন, বুরকিনা ফাসোতে যে সংকট চলছে তা বিশ্বের অন্যতম অবহেলিত সংকট। বছরের পর বছর ধরে ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতার কারণে ২০ লাখেরও বেশি লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষে পরিণত হতে বাধ্য হয়েছেন।

জাতিসংঘের ধারণা, পাঁচ বছরের কম বয়সী সকল শিশুর এক-চতুর্থাংশের ক্ষুধার কারণে বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

যদিও বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দুই বছর আগে সামরিক বাহিনী বুরকিনা ফাসোর ক্ষমতা দখল করে, তবুও দেশটিতে এখনও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।

এই সপ্তাহের শুরুতে ইন্সটিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস জানায়, ‘সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রস্থল এখন চূড়ান্তভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার মধ্য সাহেল অঞ্চলে স্থানান্তরিত হয়েছে।’

বুরকিনা ফাসোর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এলাকা বর্তমানে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে। দেশটির কর্তৃপক্ষ আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটের সাথে যুক্ত ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এসব গোষ্ঠী সাহেল অঞ্চলের বিশাল অংশ দখল করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে।

গত মাসের শুরুতে বুরকিনা ফাসোর সেনা-সমর্থিত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে বলেছিলেন, প্রয়োজনে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রুশ সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।

 

একাত্তর/জো
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের রক্তক্ষয়ী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারালেন এক ভারতীয় নাগরিক। এতে হুথিদের এই বর্বরোচিত...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ ইরান যুদ্ধে পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে যত সেনা মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে, বাস্তবে নিহতের সংখ্যা তার চেয়েও বেশি বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে প্রভাবশালী মার্কিন...
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ-নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার ২৫ বছর পূর্তিতে অশ্রুসজল ভালোবাসায় প্রায় তিন হাজার নিহত মানুষকে স্মরণ করল আমেরিকানরা। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অপহৃত চারটি বিমান নিয়ে...
ভারতের রাজধানীর নয়াদিল্লির দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছেই অবস্থিত সত্য নিকেতন এলাকায় বহুতল হোস্টেল ভবন ধসের ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে তিন জনে দাঁড়িয়েছে। অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল...
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন মহাঅষ্টমীতে দেবী দুর্গার জীবন্ত প্রতীক হিসেবে এক কুমারী শিশুকে আরাধনা করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নুরুল হকের পরিবার সরকারের কূটনৈতিক সহায়তায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ক্ষতিপূরণের অর্থ বুঝে পেয়েছে। প্রাপ্ত এই সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে নিহতের স্বজনেরা আজ...
বরগুনার বেতাগীতে কিশোর গ্যাং, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলবাজি এবং ছড়িয়ে পড়া অনলাইন জুয়া চিরতরে নির্মূল করতে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) দুই মাসের (৬০ দিন) সময়সীমা বেঁধে...
কেউ যদি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তবে সে বিষয়ে আইন ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, এখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর