দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে হামলা সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর একটি অগ্রহণযোগ্য লঙ্ঘন এবং এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করেছে বলে এক বিবৃতিতে বলেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ হামলা ‘ইতোমধ্যে এ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং ‘ইসরাইলকে এ অঞ্চলে দুঃসাহসিকতা থেকে বিরত রাখতে’ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা।
হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবার, ইরানের জনগণ ও সরকারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে পাকিস্তান।
সোমবার সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের ইরানি কনস্যুলেটে হামলা চালিয়ে স্থাপনাটিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইসরাইল।
ইসরাইল এ হামলা চালিয়েছে বলে খবরে উল্লেখ করেছে সিরিয় ও ইরানি সংবাদমাধ্যম। এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলা আরও জোরদার করতে পারে ইরান ও দেশটির মিত্ররা।
লেবাননের একটি গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলায় নিহতদের মধ্যে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সিনিয়র কমান্ডার মোহাম্মদ রেজা জাহেদি রয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে দাবি করা হয়েছে, বেশ কয়েকজন ইরানি কূটনীতিকও এ হামলায় নিহত হয়েছেন।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইরান-সমর্থিত ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসের হামলার প্রতিক্রিয়ায় অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় পাল্টা হামলা শুরু করেছিল ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। এরপর এ অঞ্চলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।
গাজায় হামলার প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহও ইসরাইলে হামলা শুরু করে। এরপর সিরিয়ায় লেবাননের হিজবুল্লাহ যোদ্ধা ও ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিরুদ্ধেও বিমান হামলা চালিয়ে আসছে ইসরাইলি সেনারা। এই গোষ্ঠীগুলো প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকারের সমর্থক।
কাবা শরিফ থেকে চার হাজার মুসল্লি গ্রেপ্তার