ঋতুর পালাবদলে শীতের আগমনী বার্তা। এই সময়ে অল্পতেই অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশুরা। বাধা পড়ে তাদের স্বাভাবিক বিকাশে। তাই শীতকাল নিয়ে যেন একটু বেশি সতর্ক অভিভাবকরা।
এই সময়ে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শীতের সবজি ও লেবু জাতীয় ফল বেশি করে খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। পান করাতে হবে প্রচুর পানিও।
শৈশবে যেন ভাটা না পড়ে সেই চেষ্টা সব অভিভাবকের। কিন্তু তারপরও ঋতু বদলের এই সময়টাতে অল্পতেই ভাইরাসজনিত রোগ বালাইয়ে আক্রান্ত হয় শিশুরা।
রাতে ঠাণ্ডা আবহাওয়া আবার দিনের বেলা গরমে অভ্যস্ত হবার এ সময়টাতে তাই একটু বেশী সতর্ক থাকছেন অভিভাবকেরা। ভোরের দিকে হঠাৎ করে তাপমাত্রা নেমে যাওয়ার দিকেও নজর রাখতে হচ্ছে তাদের।
চিকিৎসকরা বলছেন, মৌসুমি শাক সবজি আর ফলেই মিলবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শর্করার পাশাপাশি শিশুদের আমিষ খাবারের দিকেও নজর রাখতে হবে এই সময়টাতে। খাওয়াতে হবে পানিও।
শিশুর ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, শীতের এই সময়ে শুষ্ক হয়ে দেখা দিতে পারে নানান জটিলতা। তাই শীতে শিশুর ত্বকের যত্ন নেয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
বিভিন্ন পণ্য ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। বিদেশি পণ্য নকল হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের দেশি পণ্য ব্যবহার করাই ভালো বলে মনে করেন ত্বকের চিকিৎসকরা।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের আবাসিক প্রতিনিধি ডা. ফারহানা আহমেদ স্বরণী বলেন, শীতের সময় শিশুকে ঘরে আবদ্ধ না রেখে, প্রাকৃতিক পরিবেশে খেলাধুলায় অভ্যস্ত করতে পারলে তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ হবে।
শীতে শিশুর অধিক যত্ন নেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের