প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে মানুষের মঙ্গলের কাজ করতে প্রকৌশলীদের আহবান জানিয়েছেন।
শনিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সম্মেলনে, যেকোনো নির্মাণের আগে দেশের আবহাওয়া-জলবায়ু-আর্দ্রতা বিবেচনায় রেখে নকশা করার পরামর্শ দেন তিনি।
প্রকৌশলীদের সবচেয়ে বড় এই জমায়েতে হাজির হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিশাল আয়তনের যে ইন্সটিটিউশন প্রাঙ্গণ- সেই জমি নামমাত্র মূল্যে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছিলেন। কারণ- যারা দেশের বড় সব প্রকল্পের কারিগর- তাদের নিজের প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ।
আর তাই দেশের প্রতিটি ভবন নির্মাণ বা যেকোনো কাজে দেশপ্রেম- মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও জল মাটির ভাষা বোঝার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বৃষ্টি প্রধান দেশ। যে কারণে আমাদের ভেন্টিলেশন সবচেয়ে বেশি দরকার, আমি বহুবার বলেছি। প্রত্যেকটা জায়গায় ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থার করতে হবে।
দীর্ঘ ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমে- টকশোর আলোচনায় অনেকেই মেগা প্রকল্পের সমালোচনা করেন। কিন্তু একেকটি প্রকল্প যখন দৃশ্যমান হচ্ছে তখন তার সুফল মানুষ পাচ্ছে। পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল তার উদাহরণ।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর রেল স্টেশন থেকে বিমানবন্দরের টার্মিনাল পর্যন্ত আন্ডারপাসসহ নতুন প্রকল্প আছে সামনে।
শেখ হাসিনা প্রকৌশলীদের বলেন, আপনাদের কাজের পরিধি অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনাদের কাজের গুনগত মান যাতে ঠিক থাকে সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে।
আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ স্মার্ট বাংলাদেশ। স্যাটেলাইট থেকে সাবমেরিন কেবল- উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ। সেই যাত্রায় বরাবরের মতো প্রকৌশলীদের পাশে থাকার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।
পরে তিনি ৫ দিনের সম্মেলন উদ্বোধন করেন। বলেন, যে কেউ যেকোনো বাজেটে প্রকল্প নিয়ে এলেই তিনি তা অনুমোদন করেননা। সেই প্রকল্পের সুবিধা কতোটা পাবে সাধারণ মানুষ- অর্থনীতিতে তার কি অর্জন যোগ হবে তাই মূল বিবেচনা।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
এসময় ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত আছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
একাত্তর/আরএ
