পর্যবেক্ষক পাঠাবে না বলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যে চিঠি দিয়েছে, তার জবাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সরকারের সহায়তা অব্যাহত থাকলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জানিয়েছে ইসি।
রোববার নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবীব খান সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, সিইসি চিঠিতে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সরকার ও অন্যদের কাছ থেকে যেভাবে সহায়তা পাচ্ছে, এটি অব্যাহত থাকলে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে কমিশন সক্ষম হবে।
আহসান হাবীব খান সাংবাদিকদের বলেন, ইসি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণে একটি ছোট দল হলেও পাঠাবে।
বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না বলে নির্বাচন কমিশনকে বুধবার জানায় ইইউ।
ঢাকা সফর করে যাওয়া ইইউর প্রাক্-নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইইউ।
ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ২০২৩-২৪ সালের জন্য ইইউর বরাদ্দ বাজেটের স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইইউ।
কমিশনার আহসান হাবীব খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না কেন, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে ইতোমধ্যে জানিয়েছে। তাদের বাজেট স্বল্পতার কথা জানিয়েছে। তবে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না বলেনি। পূর্ণাঙ্গ দল পাঠাবে না বলে জানিয়েছে। ছোট করে পাঠাবে কী পাঠাবে না এটাও উল্লেখ করেনি।
তিনি বলেন, ‘তারা কিন্তু ছোট পরিসরে যে পাঠাবে না, তা বলেনি। আমরা আশা করতে পারি, যত বেশি পর্যবেক্ষক ইলেকশন প্রসেসটা মনিটর করবে, সেটা অবজারভার দিয়ে হোক, সাংবাদিক হোক, যত বেশি থাকবে তা স্বচ্ছ হবে। আমাদের আশা সবসময় থাকবে। দেশি-আন্তর্জাতিক যত বেশি অবজারভার থাকবে, আমাদের জন্য ভালো হবে। নির্বাচন যত বেশি মনিটর হবে, তত আমাদের ওপর চাপ পড়বে। আমাদের মধ্যে উপলব্ধি থাকবে-সবাই আমাদের দেখছে। এতে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, মার্কিন ভিসানীতি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের দ্বিপাক্ষিক বিষয়। এর সাথে নির্বাচন কমিশন সম্পর্কিত নয়।
