থার্টিফার্স্ট নাইটে ফানুস না ওড়ানো এবং আতশবাজি না ফোটানোর আহবান জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।
রোববার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিনের বরাত দিয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ২০২২ সালের থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর কারণে প্রায় ১০০টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে; যাতে আনুমানিক ১৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ক্ষতি হয়। আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো থেকে ২০২১ সালে ১৬টি অগ্নিকাণ্ডে প্রায় চার লাখ পাঁচ হাজার টাকার ক্ষতি হয় এবং আতশবাজির উচ্চশব্দে তানজিম উমায়ের ওরফে মাহমুদুল হাসান নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়।
এছাড়াও ২০২০ সালে ৫০টি অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, ২০১৯ সালে ৭২টি অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা এবং ২০১৮ সালে ৪২টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৫৬ লাখ ছয় হাজার টাকার ক্ষতি হয়। এসব অগ্নিকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে ফায়ার সার্ভিস তিন কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ উদ্ধার করে।
সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ইতিমধ্যে ফায়ার সার্ভিসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ, ইউটিউবে লিফলেট ও ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করা হয়েছে। একইসাথে ফায়ার স্টেশনগুলোকে সতর্ক রাখা হয়েছে; যাতে এ সংক্রান্ত যে কোনো দুর্ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যায়।
থার্টি ফার্স্টের রাতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রতি বছরই নগরজুড়ে পটকা ফোটানো ও আতশবাজি পোড়ানো হয়। বিভিন্ন স্থানে ফানুস ওড়ানোর সময় আগুন লাগার খবর আসে।
গতবার ফানুসের আগুনে নতুন চালু হওয়া মেট্রোরেলের তারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাতে সকাল বেলায় ট্রেন চালু হতে দুই ঘণ্টা বিলম্ব হয়।
বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইটে সারাদেশে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা