বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে বিষ্মিত হয়েছেন বাংলাদেশের জন্য মনোনীত ১৪ দেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত। টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে এসে তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু যে আদর্শ নিয়ে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন সে পথেই আছে বাংলাদেশ। অনেক রাষ্ট্রদূতই বাংলাদেশে মিশন খোলার আগ্রহ জানান।
কম্বোডিয়া, হাঙ্গেরি, গাম্বিয়া, চেক রিপাবলিক, জ্যামাইকা লুক্সেমবার্গসহ ১৪ দেশের বাংলাদেশে মনোনীত অনাবাসিক কূটনীতিকরা সোমকার সকালে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাঙালি মুক্তির এ মহানায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
পরে তারা বেদীর পাশে নীরবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর বঙ্গবন্ধুসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ৩০ লাখ শহীদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন তারা। এরপর রাষ্ট্রদূতরা বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধের প্রশাসনিক ভবনে যান। সেখানে পরিদর্শন বইতে তারা সই করেন।
সেখানে গণমধ্যম ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা সময় বাংলাদেশের অগ্রগতিতে বিষ্ময় প্রকাশ করেন তারা। সেই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ তাদের দেশের জনগণের সংগে বাংলাদেশের সম্পর্ক বাড়াতে তারা আগ্রহের কথা জানান। কেউ কেউ মিশন খোলার বিষয়েও আগ্রহ দেখান।
গাম্বিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত মুস্তফা জাওয়ারা বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের উন্নয়ন শীল দেশের তালিকায় নিজেদের নাম লিখিয়েছে। আমরা পদ্মাসেতুসহ অবকাঠামো উন্নয়ন দেখে বিস্মিত। আমরা চাই শিগগিরই বাংলাদেশ থেকেই মিশন পরিচালনা করতে এবং বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে।
বাংলাদেশের উন্নয়নে মুগ্ধ পেরুর অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত জাবিয়ার ম্যানিউল পাওলিনিচ ভেলারডি বলেন, এটি আমার বাংলাদেশে দ্বিতীয় সফর। দশ বছর আগে বাংলাদেশকে আমি যে অবস্থায় দেখেছি এখন তার বিরাট পরিবতন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই রয়েছে বাংলাদেশ।
এর আগে সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌঁছালে জেলা প্রশাসন ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানানো হয়। পরে তারা বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধের এক নম্বর গেট দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসমাধিতে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা সমাধিসৌধের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।
কিছু জায়গায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে চাই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী