দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই নিপীড়ন বিরোধী সেল

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৪, ১২:৪৮ পিএম

যৌন নিপীড়ন রোধে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন বিরোধী সেল থাকার কথা। কিন্তু বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই তা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেও অভিযোগ জমা পড়ে কম। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকলেও কেউ মানছে না।

উচ্চশিক্ষা লাভ করে জীবনের লক্ষ্য পূরণের স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় আসে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠী বা শিক্ষকের দ্বারা নিপীড়নের শিকার হলে কী প্রতিকার? উচ্চ আদালতের নির্দেশনা আছে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেল থাকবে।

কিন্তু অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে তার দৃশ্যমান অস্তিত্ব নেই। তারপরেও কেউ অভিযোগ দিলে শিক্ষকদের অসহযোগিতার পাশাপাশি জোটে নানান হুমকি। আছে লোকলজ্জা ও সামাজিক চাপ ও পড়াশোনা বন্ধ হাবার শঙ্কা। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে অনেকে শিক্ষাজীবন শেষ করেন। আর কেউ কেউ অবন্তিকার মত আত্মহননের পথ বেছে নেন।

মহিলা পরিষদের পরিসংখ্যান বলছে প্রতিবছরই বাড়ছে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতন ও উত্যক্তের ঘটনা আর এর ফলে আত্মহত্যার সংখ্যা।

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা সত্যেও এতবছরে নিপীড়ন বিরোধী পূর্নাঙ্গ আইন না হওয়ায় হতাশ সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। রাজনৈতিক প্রভাব, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনে অযোগ্য ব্যক্তি আর সচেতনতার অভাবে এ ধরনের ঘটনা বেড়েই চলেছে বলছেন তারা।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এডভোকেট দিপ্তী সিকদার জানালেন, কমিটিটা হাইকোর্ট যেভাবে গঠন করে দিয়েছে, সেভাবে হয়নি। কমিটির সদস্য যাদের করা হয়েছে, তারা কতটুকু লিঙ্গ সচেতন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাইখ ইমতিয়াজ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য মানুষের অভাবের কারণে তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে নারীবান্ধব করে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষক ও ছাত্রদের গড়ে তোলা প্রয়োজন ছিলো। একটা সীমা নির্ধারণ সবক্ষেত্রেই জরুরী বলে মনে করেন তিনি। প্রক্টরিয়াল বডির নিপীড়ন বিষয়ক অভিযোগগুলো নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীর জন্য মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনে যোগ্য ব্যক্তির পাশাপাশি সচেতনতা ও সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন। এছাড়া কঠোর আইন প্রণয়ন ও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ারও সুপারিশ বিশেষজ্ঞদের।

 

একাত্তর/জো
দেশের শিক্ষার প্রকৃত মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্কুল-কলেজে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন বা ব্লেন্ডেড শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে আজ।
দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের ক্ষমতা পেলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
সোমবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শিক্ষামন্ত্রী।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং মূল ফটক ডিঙিয়ে দিল্লির বিখ্যাত যন্তর মন্তরে প্রবেশের দায়ে গ্রেপ্তার হওয়া কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের বিচার বিভাগীয় জেল হেফাজতের...
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ কিংবা ফ্রান্সের তুলনা টেনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর করা ‘শাসন পরিবর্তন’ মন্তব্য নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই বিতর্কের জবাবে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ...
বলিউড তারকা টাইগার শ্রফকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই মূল তিন শ্যুটারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের জুহুতে টাইগারের বিএমডব্লিউ...
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন মহাঅষ্টমীতে দেবী দুর্গার জীবন্ত প্রতীক হিসেবে এক কুমারী শিশুকে আরাধনা করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর