অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমরা পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না। আমি আশা করি, তরুণরা এই বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকবে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শাহবাগে একটি হোটেলে ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৫’ -শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, সব সংকটের পরেও আমি বাংলাদেশ নিয়ে আশাবাদী হতে চাই। কেননা বর্তমান তরুণ নেতৃত্ব ২০২৪ সালের জুলাইতে যেভাবে ফ্যাসিবাদকে হটিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, তাতে ইতিবাচক হওয়াই যায়। যদিও ১৯৯০ সালেও গণতন্ত্রের ভালো সুযোগ এসেছিল, যে সুযোগ আমরা ক্ষমতা পেতে না পেতেই হারিয়েছি। তবে তরুণেরা ভুল করতে করতে শেখে। সে দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই আমি দেখি, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে বাংলাদেশে আমরা ভিশনারি রাজনীতি দেখতে পাবো।
‘সেজন্যই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ‘ভালো কর্মী’ হিসেবে গড়ার উদ্যোগ অপরিহার্য। যেখানে যথাযথ জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি নানান দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা থাকবে।’
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সামনে কঠিনতম সঙ্কট হলো -রোহিঙ্গা সমস্যার সম্ভাব্য কোনো সমাধান আমাদের হাতে নেই। যত দিন যাচ্ছে, সমস্যা তত দীর্ঘায়িত হচ্ছে। কেননা এখানে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীতে শিশু-তরুণের সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে বেড়েছে। এই পরবর্তী প্রজন্ম ইতোমধ্যেই বড় হতে শুরু করেছে। তারা আদৌ আর আশ্রয়-ক্যাম্পের জীবনে থাকতে চাইবে না। তারা বিদ্যমান ব্যবস্থাকে মেনে নেবে কিনা- সেটা সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা এতোটাই প্রকট হতে যাচ্ছে, যা শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো আঞ্চলিক এমনকি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একটি বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।
পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা হলো নির্বাচন কমিশনের বটম লাইন: সিইসি