সাতক্ষীরা জেলাসহ সারাদেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ত্রয়োদশ সংসদের ৩৭টি সংসদীয় আসনে পরিবর্তন এনে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে গাজীপুরে একটি আসন বাড়িয়ে ৬টি এবং বাগেরহাটে একটি কমিয়ে তিনটি আসন রাখা হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্কার কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ কারিগরি কমিটির পক্ষ থেকে ৪২টি সংসদীয় আসনে পরিবর্তন আনার সুপারিশ করেছিলো। পরে কমিশন পর্যালোচনা করে ৩৯টি আসনে পরিবর্তন এনে খসড়া প্রকাশ করে।
এই খসড়ার ওপরে গত ২৪ থেকে ২৭ আগস্ট ৮৩টি আসনের বিপরীতে ১৮৯৩টি আবেদন দাবি-আপত্তি শুনে ইসি। এই শুনানির পর বৃহস্পতিবার আরো দুটি সীমানা কমিয়ে ৩৭টিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর ফলে ২৬৭ আসন অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন চূড়ান্ত হওয়া আসন বিন্যাসের ভিত্তিতে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সীমানার খসড়া পর্যালোচনা করে দেখা যায়, খসড়া তালিকায় সাতক্ষীরা -০৩ ও ০৪ আসনে পরিবর্তন এনে শ্যামনগর ও আশাশুনি দুটি উপজেলা নিয়ে সাতক্ষীরা-০৪ এবং কালিগঞ্জ-দেবহাটা উপজেলা নিয়ে সাতক্ষীরা-০৩ আসন নির্ধারণ করা হয়।
পরে শুনানিতে আবেদনকারীদের নিবেদন ও যৌক্তিকতা শুনে ইসি শ্যামনগর উপজেলাকে একক আসন রেখে সাতক্ষীরা-৪ ও কালিগঞ্জ উপজেলা অখণ্ড ও আশাশুনি নিয়ে সাতক্ষীরা-৩ এবং সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা নিয়ে সাতক্ষীরা-০২ করা হয়েছে। বাকি তালা-কলোরোয়া নিয়ে সাতক্ষীরা-০১ বহাল রাখা হয়।
সাঁথিয়া উপজেলাকে একক আসন করে পাবনা-১ এবং বেড়া ও সুজানগর নিয়ে পাবনা-২ করা হয়েছে। একইভাবে, সরাইল-আশুগঞ্জ ও তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগরের ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৩ আসন করা হয়।
চূড়ান্ত খসড়ায় দুটি ইউনিয়ন বুধন্তি ও চান্দুরা -২ আসনের সঙ্গে বহাল রেখে হরষপুর ইউনিয়নকে বিজয়নগরের সঙ্গে পুনরায় যুক্ত ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৩ আসন করা হয়েছে।
একইভাবে, বাগেরহাট জেলার একটি কমিয়ে চার থেকে তিনটি এবং গাজীপুর আসন বাড়িয়ে পাঁচ থেকে ছয়টি করা হয়েছিল সেটি বহাল রাখা হয়েছে। একইভাবে, পঞ্চগড় -১ ও ২। রংপুর- ৩।
আবারও খোলা মাঠে ভোটের কথা বললেন ইসি তাহমিদা