বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরিয়ে আনা এবং জাতীয় অর্থনীতিতে তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে সরকার।
বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবার মান নিশ্চিত করাই এই সভার মূল লক্ষ্য ছিল।
সভা শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামোতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বাধাহীন প্রবেশাধিকার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
শুধু সুযোগ-সুবিধাই নয়, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পরিবারগুলো যাতে সামাজিকভাবে একটি সুন্দর ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে জীবনযাপন করতে পারে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল লক্ষ্য হলো সমাজের কোনো অংশকে পেছনে ফেলে না রাখা। প্রতিবন্ধী সমাজকে এগিয়ে নিতে একাধিক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে এবারই প্রথম খোদ ভুক্তভোগীদেরও (বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি) এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সরকার মনে করে, সঠিক প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা দেশের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবেন। তাই তাঁদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি কমিটির অন্যতম প্রধান কাজ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকিতে এই কমিটি গঠনকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মাধ্যমে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কমিটির সুপারিশমালা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
লিবিয়ায় নির্যাতন: ৪৮ লাখ টাকা দিয়েও প্রাণরক্ষা হলোনা যুবকের
সোনারগাঁয়ে বিদ্যুতকেন্দ্রের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ, ১২ জন দগ্ধ