শিশুদের মেধা ও লুকায়িত প্রতিভা বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিলে আগামী দিনের তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য শিশুরা যে বিষয়ে আগ্রহী, অভিভাবকদের সে বিষয়ে তাদের চর্চা করার সুযোগ দেওয়ার আহবান জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিশুদের দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে তাদের শারীরিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
সে বছর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে বাবা মায়ের সঙ্গে শিশু একাডেমির অনুষ্ঠানে আসেন তারেক রহমান। আর আজ প্রতিষ্ঠানটির ৫০বছর পুর্তিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসেন তিনি। বক্তব্যে তাই শৈশবের সেসব মধুর দিনের স্মৃতিকাতরতা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গিটার কি-বোর্ড বাজানো আর শখ ছিলো। শুরু করেছিলাম, তবে শেষ করতে পারিনি। শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তবে আমি চাই তোমরা যারা গিটার, কি-বোর্ড, হারমনিয়াম, বাঁশি বাজাতে পছন্দ করো সেটা শেখা শুরুর পর অবশ্যই শেষ করবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, কেবল পড়াশোনাই নয়, সংস্কৃতির পাশাপাশি দেশের প্রতিটি শিশুকে খেলাধুলাতেও পারদর্শী করে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে ২০২৮ সাল থেকে সরকারি কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে।
বক্তব্যে শিশুদের পড়ালেখার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে শিশুরা যাতে অনায়াসে তাদের সুপ্ত প্রতিভা প্রকাশ করতে পারে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের দৃষ্টি দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
