আওয়ামী লীগের নেতা জাহিদুল ইসলাম ওরফে টিপু হত্যাকাণ্ডে ওমর ফারুককে মতিঝিল থানার ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি এই কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
শনিবার (২ এপ্রিল) সকালে র্যাবের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, টিপু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ওমর ফারুক।
পরে একই দিন বিকেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ফারুককে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ‘এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের খবর ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এর দায়ভার কোনোভাবেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ বহন করবে না।’
‘দলের নীতি ও শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় দলীয় গঠনতন্ত্রের ৪৭ ধারা মোতাবেক আপনাকে বহিষ্কার করা হলো।’
এর আগে শুক্রবার (১ এপ্রিল) ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করে র্যাব। র্যাব জানায়, টিপু হত্যায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চার আসামিই ২০১৩ সালে হত্যার শিকার যুবলীগ নেতা মিল্কী অনুসারী। বাকি তিনজন হলেন আবু সালেহ শিকদার ওরফে শুটার সালেহ (৩৮), নাসির উদ্দিন ওরফে কিলার নাসির (৩৮) ও মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্যা পলাশ (৫১)।
আরও পড়ুন: রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্যোগ
ওমর ফারুক যে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, সেই এলাকায় টিপুর একটি রেস্তোরাঁ ছিল।
ঘটনার দিন ওই হোটেল থেকে মাইক্রোবাসে সঙ্গীদের নিয়ে ফেরার পথে সড়কে আক্রান্ত হন টিপু। আগ্নেয়াস্ত্রধারী এক ব্যক্তি মোটরসাইকেল থেকে নেমে গাড়ির জানালা দিয়ে টিপুকে হত্যা করে পালিয়ে যান।
হামলাকারীর ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে সামিয়া আফনান প্রীতি নামে এক কলেজছাত্রীও নিহত হন। তিনি ওই সড়কে রিকশায় চড়ে যাচ্ছিলেন।
একাত্তর/এসি
