করোনায় বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ লাখ ২ হাজার ৫২৩ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন ৩ হাজার ৫৭৩ জন। এছাড়া এই দিন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ লাখ ৯৩ হাজার ৪১৭ জন।
করোনা আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার তথ্য প্রদানকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের বৃহস্পতিবারের (৭ এপ্রিল) তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৪৯ কোটি ৫৩ লাখ ৫৮ হাজার ৮৫৩ জন। এ রোগে এখনো পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ৬১ লাখ ৯১ হাজার ৪২৬ জনের। এছাড়া ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৪৩ কোটি ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৪ জন।
ওয়ার্ল্ডোমিটার বলছে, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে করোনা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। বুধবারও অন্যান্য দেশের তুলনায় দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া; আর কোভিডজনিত অসুস্থতায় এ দিন সর্বোচ্চ মৃত্যু ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে।
বিশ্বের আরো যেসব দেশে মঙ্গলবার সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে, সেসব দেশ হলো— জার্মানি (নতুন আক্রান্ত ২ লাখ ৪ হাজার ৯৩০ জন, মৃত ৩৩৩ জন), ফ্রান্স (নতুন আক্রান্ত ১ লাখ ৬১ হাজার ২৫০ জন, মৃত ১২৮ জন), ইতালি (নতুন আক্রান্ত ৬৯ হাজার ২৭৮ জন, মৃত ১৫০ জন), অস্ট্রেলিয়া (নতুন আক্রান্ত ৬২ হাজার ৪৬ জন, মৃত ২৭ জন), যুক্তরাজ্য (মৃত ২৩৩ জন, নতুন আক্রান্ত ৩১ হাজার ২৮৬ জন) রাশিয়া (মৃত ২৯১ জন, নতুন আক্রান্ত ১৪ হাজার ৬৬১ জন), ব্রাজিল (মৃত ১৯৬ জন, নতুন আক্রান্ত ২৭ হাজার ১২০ জন)।
বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার ৭৩ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ৫ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ২৬৭ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আছেন ৫৪ হাজার ৮০৬ জন।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।
তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।
একাত্তর/আরএ
