রাজধানীর রমনায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বাসা থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধারের পর মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন ঢামেকের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. শামিমা আফরোজ।
এর আগে বুধবার (১ জুন) রাত সাড়ে আটটার দিকে রমনার অফিসার্স কোয়ার্টার এর ১৪/এ শিমুল ভবনের ১৩ তলার বারান্দার ফ্যানের হুকের সাথে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করে রমনা থানা পুলিশ।
নিহতের নাম মৌসুমি (১৪)। তিনি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার বাইচাল গ্রামের মৃত মুক্তার মিয়ার মেয়ে। রমনার ১৪/এ বহুতল ভবনের ১৩ তলায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় গৃহকর্মী হিসাবে কাজ করতেন মৌসুমি।
মর্গ সূত্রে জানা যায়, প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নিহতের শরীর থেকে নেক টিস্যু ও ডিএনএ প্রোফাইলিং এর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ময়নাতদন্তের পর পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক এএসআই ফজলুল হক নিহতের মরদেহ নিয়ে যান।
উল্লেখ্য, বুধবার রাতে মরদেহ উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই তার মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এর আগে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (ভিসি অফিস ঢাকা) রিফাত নুর মৌসুমীর উপস্থিতিতে রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমেনা খানম তার সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
এসআই আমেনা খানম প্রাথমিক তদন্তের পর জানান, অজ্ঞাত কোন কারণে মৌসুমি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
একাত্তর/এসজে
