করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় আগামী ১১ অক্টোবর থেকে সারাদেশে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু হবে।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেল শিশুদের কোভিড-১৯ টিকা কার্যক্রম বিষয়ক জাতীয় অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
মন্ত্রী জানান, সোয়া দুই কোটি শিশুকে টিকা দিতে হবে। ইতিমধ্যে ১০ লাখ শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সকল সমালোচনা উপেক্ষা করে করোনা সফলভাবে মোকাবেলা করা হয়েছে। ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে অনেকেই অপ্রচার চালিয়েছেন। কিন্তু তারাই আবার আগে টিকা নিয়েছেন।
এখন পর্যন্ত দেশে ৭৭ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ৭১ শতাংশ মানুষ দ্বিতীয় ডোজ এবং প্রায় চার কোটি মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন।
মন্ত্রী জানান, যারা প্রথম ও দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ নেন নাই, তারা তিন অক্টোবরের পর ওই ডোজগুলো আর পাবেন না।
দ্রুত টিকা নেওয়ার আহবান জানিয়েছে মন্ত্রী বলেন, তিন অক্টোবরের পর টিকা থাকবে না। অনেক ডোজের মেয়াদ শেষের দিকে। যারা টিকা নেন নাই, তারা দ্রুত টিকা নিন। তিনি আরও জানান, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের ক্যাম্পেইন শুরু হবে।
এ সময় উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চাহিদা মতো চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, লাইসেন্স, যন্ত্রপাতিবিহীন কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চলতে দেয়া হবে না। সব বন্ধ করে দেয়া হবে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু: হটস্পট ম্যানেজমেন্টের ওপর জোরের পরামর্শ
ডেঙ্গু বাড়ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এ পর্যন্ত ১০/১২ হাজার লোক আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। এর বাইরেও অনেক রোগী হাসপাতালে আসেনি, সব মিলিয়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। সবাইকে সচেতন হতে হবে।
একাত্তর/এসি
