মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা। কাগজের দাম বেড়ে যাবার কারণে মাসব্যাপী বইমেলায় এবার বাড়ছে বইয়ের দামও। বেড়েছে স্টলের সংখ্যা। বেড়েছে মেলার পরিসরও।
তবু মানসম্পন্ন বইয়ের জন্য হাপিত্যেশ রয়েছে প্রকাশকদের। তারা বলছেন, ভালো মানের বই তারা প্রকাশ করতে চাইলেও, সে ধরনের পাণ্ডলিপির বড়ই অভাব রয়েছে।
১ ফেব্রুয়ারি বেলা তিনটায় অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
করোনা মহামারির কারণে বিগত দুই বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে বইমেলা শুরু হয়নি। তবে এবার প্রথম দিন থেকেই বইমেলা শুরু হচ্ছে। মেলা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

এবার ৬০১টি প্রতিষ্ঠানকে ৯০১টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মিলে ১১ লাখ বর্গফুট জায়গায় মেলা হবে।
এবার বইমেলার প্রতিপাদ্য ‘পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
অন্য সব কিছুর মতো এবার কাগজের দামও বেড়েছে। সেই প্রভাব পড়েছে প্রকাশনা ব্যবসায়। তাই বইমেলায় বইয়ের দাম কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ ভাগ বাড়ার কথা জানিয়েছেন প্রকাশকরা।

আরও পড়ুন: বইমেলায় তিন স্তরের নিরাপত্তা, হামলার আশঙ্কা নেই: ডিএমপি
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি প্রকাশিত সাতটি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করবেন এবং বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ প্রদান করবেন।
২০২২ সালে পুরস্কারের জন্য মনোনীতরা হলেন- কবিতায় ফারুক মাহমুদ ও তারিক সুজাত, কথাসাহিত্যে তাপস মজুমদার ও পারভেজ হোসেন, প্রবন্ধ/গবেষণায় মাসুদুজ্জামান, অনুবাদে আলম খোরশেদ, নাটকে মিলন কান্তি দে ও ফরিদ আহমদ দুলাল, শিশুসাহিত্যে ধ্রুব এষ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় মুহাম্মদ শামসুল হক, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় সুভাষ সিংহ রায়, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞানে মোকারম হোসেন, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনীতে ইকতিয়ার চৌধুরী, ফোকলোরে আবদুল খালেক ও মুহম্মদ আবদুল জলিল।
একাত্তর/এসি
