৪০ মিনিটের পথ পাড়ি দেয়া যাচ্ছে মাত্র ৩ মিনিটেই। কালশীর উড়ালসেতু চালু হওয়ায় পর স্বস্তি পেলেন মিরপুরবাসী। উদ্বোধনের পর উড়াল সেতুটি দেখতে ঢল নামে মানুষের।
মিরপুরবাসীরা বলছেন, মেট্রোরেল চালুর পর এবার নতুন এই উড়ালসেতু সড়কের ভোগান্তি দূর করেছে। এখন মিরপুর থেকে বিমানবন্দর বা গুলশান-বনানী যাওয়া যাচ্ছে কয়েক মিনিটেই।
মেট্রোরেলের পর এবার চালু হলো মিরপুর-কালশী উড়ালসেতু। মিরপুরবাসীর তাই বাধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস। বোরবার উদ্বোধনের পর সেই উচ্ছ্বাসের ঢেউ আছড়ে পড়ে সড়কেও।
উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ধীরে ধীরে ফ্লাইওভারে উঠে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। নীচে তখন হাজারও মানুষের বাধনহারা উল্লাস। হাততালি আর শ্লোগানে মুখরিত হয় পরিবেশ।
এরপরেই যেন ঢল নামে কালসী ফ্লাইওভারে। আবেগ আর উচ্ছ্বাসে ছেলে-বুড়ো সব গিয়ে হাজির হন নতুন উড়ালপথে। জনসাধারণের যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় কালসী ফ্লাইওভার।
পরিবার-পরিজন আর বন্ধু-বান্ধব নিয়ে খোলা পিকআপে কালশী ফ্লাইওভারে ঘুরে আনন্দ প্রকাশ করছে মিরপুরের মানুষ। এ যেন উৎসবের এক বড় উপলক্ষ্য হয়ে এসেছে।
আবার উদ্বোধনের পর অনেকে পায়ে হেঁটেই উড়াল সেতু পাড়ি দিয়েছেন। সবার মুখে ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
মিরপুর, মিরপুর ডিওএইচএস অন্যদিকে ইসিবি চত্বর। এক সময় এই পথে বিমানবন্দর বা বনানী যেতে লাগতো কয়েক ঘণ্টা। রাস্তা ছিলো খানাখন্দে ভরা।
এখন সেই দুর্ভোগের অবসান হয়েছে। মিরপুর থেকে ইসিবি চত্বর যেতে সময় লাগছে মাত্র তিন মিনিট। মিরপুর ১১ ও ১২ নম্বর থেকে উড়াল সড়কে উঠলেই নিমিষে শেষ হয় পথ।
উদ্বোধনের দিনে পুরো উড়ালসেতু ছিলো ব্যাটারিচালিত রিক্সার দখলে। প্রথম দিন হিসেবে তাদের চলতে দেয়া হয়েছে। তবে উড়ালসেতুতে ব্যাটারিচালিত কোন বাহন চলতে দেয়া হবে না।
আরও পড়ুন: রামপালে ৫৫ হাজার টন কয়লা, সমপরিমাণ আরও আসছে
নিচের সড়কটিও যাতে দখল মুক্ত ও যান চলাচলের জন্য উপযোগী থাকে সেটি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে এলাকাবাসী।
কারণে, ফ্লাইওভারের পাশাপাশি চালু হয় ছয় লেনের নতুন প্রসস্থ সড়ক। এতে আছে আলাদা সাইকেল লেন, বাসযাত্রী ছাউনি, ফুটওভার ব্রিজ আর পাবলিক টয়লেট।
একাত্তর/আরএ
