চার বছর পর শুরু হলো রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টার ওয়াহেদ ম্যানশনে ভয়াবহ অগুনে ৭১ জন নিহত হবার ঘটনায় মামলার কার্যক্রম।
এ মাসেই অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছে আদালত। আর, সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য হয়েছে ১৪ মার্চ। যদিও, মামলা শুরুর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবার ঘোষণা দিয়েছে আসামিপক্ষ।
২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর চুড়িহাট্টা মোড়ের কাছে চারতলা ওয়াহেদ ম্যানশন থেকে লাগা আগুন আশপাশের কয়েকটি ভবনে ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় ১৪ ঘণ্টা চেষ্টার পর সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনাস্থল থেকে ৬৭ জনের মরদেহ মর্গে পাঠান উদ্ধারকর্মীরা। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৭১।
এ ঘটনায় বাবাকে হারিয়ে চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন মোহাম্মদ আসিফ। এরপর চার বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বিচার।
২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ৮ জনকে আসামি করে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার মডেল থানার ওসি আবদুল কাইউম।
আট আসামিরা হলেন, ভবনের মালিক দুই ভাই মোহাম্মদ হাসান সুলতান ও হোসেন সুলতান, রাসায়নিক গুদামের মালিক ইমতিয়াজ আহমেদ, পরিচালক মোজাম্মেল ইকবাল, ম্যানেজার মোজাফফর উদ্দিন, মোহাম্মদ জাওয়াদ আতিক, মোহাম্মদ নাবিল ও মোহাম্মদ কাশিফ।
চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি এই ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দা হাফসা ঝুমা। আগামী ১৪ মার্চ বাদী আসিফের সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে।
আসামি হাসান ও সোহেলের আইনজীবী দাবি করেন ভবনটি ছিল বাণিজ্যিক। আর সেখানে কি ব্যবসা হচ্ছে তা দেখার দায়িত্ব ছিলো সিটি করপোরেশনের। আসামিদের নয়।
আইনজীবী আরও জানান চার্জগঠনের বিরুদ্ধেও উচ্চ আদালতে যাবেন আসামিরা। বর্তমানে আসামিদের সবাই উচ্চ আদালতের দেয়া স্থায়ী জামিনে আছেন।
একাত্তর/এআর
