ডেঙ্গুতে পাঁচ দিনে ৫০ জনেরও বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাত হাজার। আক্রান্ত ও মৃত্যুর বেশিরভাগ ঢাকায়। তবে পুরো দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ডেঙ্গু।
এ অবস্থায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সপ্তাহের শুরু থেকেই ভয়াবহ রূপ নেয় ডেঙ্গু। শনিবার দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ ভর্তি হয় হাসপাতালে। এরপর আক্রান্ত ও মৃত্যুর গ্রাফটা আর নিচে নামেনি। পাঁচদিনে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। মারা গেছে ৫০ জনেরও বেশি। যা ছাড়িয়ে গেছে আগের সব রেকর্ড। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে স্বাস্থ্যগত জরুরী পরিস্থিতি ঘোষণার মতো সময় এখনও আসেনি।
রোগীদের উপচে পড়া ভিড়ে সরকারি বেশ কিছু হাসপাতাল বাধ্য হচ্ছে রোগী ফিরিয়ে দিতে। তাই উচ্চমূল্যের বেসরকারি হাসপাতালে যেতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা।
বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর চার ধরণের পরীক্ষার দাম বেঁধে দিয়েছে সরকার।
এনএস ওয়ান, আইজিজি, আইজিএম প্রতিটি পরীক্ষা তিনশ’ টাকা। সিবিসি চারশ’ টাকার বেশি নয়। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালের বেড ভাড়া, কনসালটেন্সি ফি অন্যান্য পরীক্ষার মূল্য, সব মিলে হাসপাতালগুলোর বিলের বিপরীতে অসহায় রোগীরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ডেঙ্গুতে এখনও জরুরি অবস্থা জারির সময় আসেনি।
তিনি বলেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে আমি বললো- তাদের বিবেকবান হতে হবে। তাদের মানুষের খারাপ দিনে যতটুকু লাভ না করলেই নয়- তা করে হলেও মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত।
আরও পড়ুন: গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে
নাগরিক সচেতনতা আর প্রশাসনের যথাযথ উদ্যোগ ছাড়া; ডেঙ্গুর ভয়াবহতা মোকাবেলা করা কঠিন হবে বলেই মনে করেন তিনি।
একাত্তর/আরএ
