দেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোন ফিনটেক প্ল্যাটফর্ম পামপে’র সঙ্গে অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ করে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কার্ডবিহীন কিস্তিতে ডিভাইস-বান্ডেল অফার চালু করেছে। এই উদ্যোগের আওতায় গ্রাহকরা ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই স্মার্টফোন কিনতে পারবেন এবং সঙ্গে পাবেন দীর্ঘমেয়াদি ডেটা ও ভয়েস প্যাকেজ।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জিপি হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের সিনিয়র ডিরেক্টর ও হেড অব ইন্টারনেট অ্যান্ড ব্রডব্যান্ড মো. মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া এবং পামপে’র চিফ অপারেটিং অফিসার ক্রিস চেং চুক্তিতে সই করেন।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম, চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ এবং পামপে’র চিফ সেলস অফিসার জ্যাক ঝা-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রাহক পামপে’র রিটেইল পার্টনার অথবা গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে আইটেল, টেকনো এবং ইনফিনিক্স ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন সহজ কিস্তিতে (ইএমআই) কিনতে পারবেন। এর সঙ্গে পাওয়া যাবে দুটি আকর্ষণীয় কম্বো বান্ডেল:
শুধু পামপে প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৩,৯৯৬ টাকায় ২২৫ জিবি ডেটা ও ৪,৫০০ মিনিট এবং ৪,৯৯৬ টাকায় ৩৬০ জিবি ডেটা ও ৬,৩০০ মিনিটের এ দুটি বান্ডল উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহক । উভয় বান্ডেলের মেয়াদ ২৭০ দিন।
বান্ডেল কেনার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে সক্রিয় হবে এবং পামপে অ্যাপের মাধ্যমে কিস্তির টাকা পরিশোধ করা যাবে, যা গ্রাহকের মূল ব্যালেন্সে কোনো প্রভাব ফেলবে না। এই সুবিধা সব শ্রেণির গ্রাহকের জন্য স্মার্টফোন ক্রয়কে আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করে তুলবে।
গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম বলেন, আমরা গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পামপে’র সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা স্মার্টফোন ও কানেক্টিভিটি সেবাকে আরও সহজ ও অ্যাক্সেসযোগ্য করেছি। এই কিস্তি সুবিধা এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল শুধু প্রাথমিক খরচের বাধা দূর করছে না, বরং দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করছে।
পামপে’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর জুন ঝেং ইথান বলেন, গ্রামীণফোনের সঙ্গে এই পার্টনারশিপ আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। আমরা সাশ্রয়ী ইএমআই প্ল্যানের মাধ্যমে স্মার্টফোন এবং নির্ভরযোগ্য সেবা একসঙ্গে প্রদান করছি। এটি বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তির একটি নতুন মডেল, যা আরও মানুষকে ডিজিটাল অর্থনীতিতে যুক্ত করবে।
